© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সদর দপ্তরে পুলিশের অভিযান!

শেয়ার করুন:
আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সদর দপ্তরে পুলিশের অভিযান!

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০১:১৫ এএম | ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫

অর্থ পাচার অভিযোগের তদন্ত করতে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফ) সদর দপ্তর ও কয়েকটি বড় ক্লাবে অভিযান চালিয়েছে দেশটির পুলিশ। সুত্রের বরাত দিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানায়, এক বিচারকের নির্দেশে একযোগে এই অভিযান চালানো হয়। বুয়েন্স এইরেসের দক্ষিণে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সদর দপ্তর, জাতীয় দলের অনুশীলন মাঠ এবং প্রথম বিভাগের রেসিং ক্লাব, সান লরেঞ্জো, ইন্দিপেন্দিয়েন্তে ও ব্যানফিল্ডেও অভিযান চালায় পুলিশ।


বার্তা সংস্থা এএফপিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুলিশের একজন কর্মকর্তা।


গত মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ও বেশ কয়েকটি ফুটবল ক্লাবে এই অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযান সম্পর্কিত এই সূত্র বলা হয়েছে, ‘এখন পর্যন্ত দলগুলো এবং ব্যক্তিগত বাসায় ২৫ থেকে ৩০টি অভিযান পরিচালিত হয়েছে।’ তদন্তকারীরা খুঁজছিলেন এমন সব হিসাব-নিকাশের তথ্য, যা ‘সুর ফিনাঞ্জাস’ নামের আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত।

আর্জেন্টিনার বেশ কয়েকটি দলের স্পন্সর হিসেবে আছে সেই প্রতিষ্ঠানটি। বেআইনি কর্মকাণ্ডের অভিযোগে এখন এটি সন্দেহের তালিকায়। তদন্তাধীন ক্লাবগুলোর ব্যাংকিং গোপনীয়তাও বাতিল করেছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারক।

গত মাসে আর্জেন্টিনার কর কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ৫৫ কোটি আর্জেন্টাইন পেসো কর ফাঁকির অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। আর্জেন্টাইন ফুটবলে প্রতিষ্ঠানটির বেশ কিছু ব্যাবসায়িক চুক্তি রয়েছে। এছাড়া প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এরিয়েল ভ্যালেজো এএফএ সভাপতি ক্লদিও তাপিয়ার ঘনিষ্ঠ লোক। সুর ফিনাঞ্জাস গত বছর আর্জেন্টাইন ফুটবল লিগ এবং জাতীয় দলের স্পন্সরও ছিল।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ক্লাবগুলোকে ঋণ দেওয়ার বিনিময়ে প্রতিষ্ঠানটি সম্প্রচারস্বত্বের সুবিধা পেয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যেসব ক্লাবে অভিযান হয়েছে, বুয়েনস এইরেসের আতলেটিকো এক্সকুশিনিস্তাস তাদের একটি। বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, তদন্তাধীন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একটি সাধারণ স্পন্সরশিপ চুক্তি ছাড়া আর কোনো আর্থিক সম্পর্ক নেই।

২০২২ বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টিনার ঘরোয়া ফুটবলে সাম্প্রতিক কিছু বিতর্ক এএফএ সভাপতি তাপিয়ার ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। ২০১৭ সাল থেকে তিনি এএফএ’র সভাপতি। হাভিয়ের মিলেই সরকারের সঙ্গেও তার টানাপড়েন চলছে। মিলেই সরকার দেশের ফুটবল ক্লাবগুলোকে খেলাধুলার কোম্পানিতে রূপান্তর করতে চায়। কিন্তু এএফএ’র নিয়মে তার অনুমোদন নেই।

গত মাসে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন আরও একটি বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নেয়। হঠাৎ করে নতুন একটি চ্যাম্পিয়নশিপ চালু করে তারা, যা মৌসুমের দুটি প্রধান লিগের পয়েন্ট যোগ করে গড়া হয়েছে। এতে আনহেল দি মারিয়ার ক্লাব রোজারিও সেন্ট্রাল চ্যাম্পিয়ন হয়। যদিও টুর্নামেন্টের ফাইনাল তখনো বাকি।

আগামী শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রেসিংয়ের মুখোমুখি হবে এস্তুদিয়েন্তেস। রোজারিওর চ্যাম্পিয়ন হওয়ার খেতাব তারা মানেনি। এএফএ’র শৃঙ্খলা ট্রাইব্যুনাল ক্লাবটির সভাপতিকে ৬ মাসের জন্য সাসপেন্ড করেছে।

এমআর 


মন্তব্য করুন