জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আন্দোলনকারীদের ওপর যারা গুলি চালিয়েছিল, তারা এখনো ঘাপটি মেরে আছে। সরকার তাদের গ্রেপ্তার করতে না পারায় নির্বাচনের প্রার্থী ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কা কাটছে না।
শুক্রবার (২রা জানুয়ারি) বিকেলে রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
আখতার হোসেন বলেন, আইনের প্যাঁচ দিয়ে নানাভাবে ফ্যাসিবাদের দোসরদের পুনর্বাসনের চক্রান্ত হতে পারে। তাই ফ্যাসিবাদের দোসরদের ব্যাপারে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে চব্বিশের নির্বাচনে তাদেরকে অযোগ্য ঘোষণা করতে হবে।
নির্বাচনী জোট ও আসন বণ্টন প্রসঙ্গে তিনি জানান, সংস্কার বাস্তবায়ন, বিচার দৃশ্যমান করা এবং দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার স্বার্থে জাতীয় নাগরিক পার্টি এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন আট দলীয় ঐক্যজোটের সঙ্গে জোটগত নির্বাচনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে দুই দলের মধ্যে আসন বিন্যাস নিয়ে এখনো আলোচনা চলমান রয়েছে, যা অল্প সময়ের মধ্যেই নির্ধারণ করা হবে।
আখতার হোসেন বলেন, বাংলাদেশে গত ১৬ বছর ধরে যে ফ্যাসিবাদ চেপে বসেছিল, যে স্বৈরাচার চেপে বসেছিল তা এক দিনে তৈরি হয়নি বা একা একা তৈরি হয়নি। এই স্বৈরাচার তৈরি করেছে, বৈধতা দিয়েছে, টিকিয়ে রাখার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা করেছে জাতীয় পার্টি। স্বৈরাচারের দোসর, ফ্যাসিবাদদের বৈধতা যারা দিয়েছে তারা যেন কোনোভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে না পারে এমন দাবি নিয়ে সরকারের কাছে বারংবার আবেদন করা হয়েছে।
রংপুরে ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল এদিকে মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের দ্বিতীয় দিনে রংপুরের দুটি আসনে মোট ৬ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। জানা গেছে, রংপুর-৩ আসনে ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে নানা অসঙ্গতি থাকায় ৩ জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
একইভাবে রংপুর-৪ আসনেও ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩ জনের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়।
এসএস/টিকে