চট্টগ্রাম-১, ২ ও ৩ আসনের মনোনয়ন যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। এতে ১০ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করেছেন রিটার্নিং অফিসার। আর বিএনপি ও জামায়াতের ইসলামীর প্রার্থীসহ ১৪ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।
জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, চট্টগ্রামের তিনটি সংসদীয় আসনে দ্বৈত ভোটার, যথাযথ দলীয় মনোনয়ন প্রদান না করা, ১ শতাংশ ভোটারের সত্যতা না পাওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগে ১০টি মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। আর সব কিছু ঠিক থাকায় ১৪ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে যথাযথ দলীয় মনোনয়ন প্রদান না করা বিএনপির নেতা শাহীদুল ইসলাম চৌধুরী ও জাতীয় পার্টির এরশাদ উল্যার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। ১ শতাংশ ভোটার সাক্ষরের সত্যতা না পাওয়ায় স্বতন্ত্র মোহাম্মদ আশরাফ ছিদ্দিকির মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
এছাড়া বিএনপির নুরুল আমিন, জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান, জাতীয় পার্টির সৈয়দ শাহাদাৎ হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফেরদৌস আহমদ চৌধুরী, ইনসানিয়াত বিপ্লবের রেজাউল করিম, জেএসডির এ কে এম আবু ইউসুফ ও মুসলিম লীগেরগর শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী মনোনয়ন বৈধ হয়েছে।
চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে চারজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। ১ শতাংশ ভোটারের তথ্য জমা না দেওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী আহমদ কবিরের ও ১ শতাংশ ভোটারের সত্যতা না পাওয়ায় আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী জিন্নাত আক্তারের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী এইচ এম আশরাফ বিন ইয়াকুবের মনোননয়ন বাতিল করা হয়েছে নির্বাচনী ব্যয় ফরম, ব্যক্তিগত সম্পদ বিবরণী ফরম এবং হলফনামা দাখিল না করায়।
এ ছাড়া সমর্থনকারীর স্বাক্ষর না থাকায় গণঅধিকার পরিষদের রবিউল হাসানের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। এই আসনে জামায়াতের মোহাম্মদ নুরুল আমিন, বিএনপির সরোয়ার আলমগীর, বি.এসপির শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ ও মো. ওসমান এবং জনতার দলের মোহাম্মদ গোলাম নওশের আলীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী এম এ ছালামের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে দলের মনোনয়ন সঠিক না হওয়া কারণে। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মোহাম্মদ আমজাদ হোসেনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে দ্বৈত নাগরিকের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায়। আর ঋণখেলাপি হওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোয়াহেদুল মাওলার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
এ ছাড়া বিএনপির মোস্তফা কামাল পাশা এবং জামায়াতের মুহাম্মদ আলা উদ্দীনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
এসএস/টিকে