ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়পুরহাট-২ (কালাই, ক্ষেতলাল ও আক্কেলপুর) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সাবেক সচিব মো. আব্দুল বারী। মনোনয়নপত্রে তার বার্ষিক আয় ১৫ লাখ টাকা দেখানো হয়েছে। দাখিল করা হলফনামা থেকে তাঁর আয় ও সম্পদের এ তথ্য জানা যায়।
নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামায় মো. আব্দুল বারীর জন্ম ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৫।
বয়স ৭০ বছর। তিনি অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা এমএ। তাঁর স্ত্রী নাজমা আরা বেগম একজন গৃহিণী।
হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, আব্দুল বারীর বার্ষিক আয়ের মধ্যে কৃষিখাত থেকে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা, বিদেশ থেকে ২০ হাজার টাকা, শেয়ার, সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক আমানত থেকে ৬ হাজার ৬৮৭ টাকা, পেশাগত সম্মানী ৪০ হাজার টাকা এবং পেনশন থেকে ৬ লাখ ৯৮ হাজার ২১০ টাকা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
নির্ভরশীলদের আয়সহ তাঁর মোট বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ১৫ লাখ ১৯ হাজার ৮৪৪ টাকা। তবে আয়কর রিটার্নে বার্ষিক আয় উল্লেখ রয়েছে ৯ লাখ ৯৪ হাজার ৮৯৭ টাকা। রিটার্ন অনুযায়ী তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ৬৪ লাখ ৩৪ হাজার ৩৪ টাকা।
অস্থাবর সম্পদের হিসাবে দেখা যায়, নগদ অর্থ হিসেবে আব্দুল বারীর নামে রয়েছে ৬ লাখ ৫৫ হাজার ৭৫০ টাকা এবং তাঁর স্ত্রীর নামে ১ লাখ ৫০ হাজার ৬০ টাকা।
ব্যাংক আমানতে তাঁর নামে প্রায় ১৯ লাখ টাকা এবং স্ত্রীর নামে প্রায় ৪৩ হাজার টাকা। সঞ্চয়পত্র ও এফডিআরে তাঁর নামে ৮৮ হাজার ৩৯৮ টাকা এবং স্ত্রীর নামে ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা।
এ ছাড়া তাঁর মালিকানায় একটি প্রাইভেট কার রয়েছে, যার অধিগ্রহণমূল্য ২৪ লাখ টাকা। স্বর্ণ ও গহনার হিসাবে আব্দুল বারীর নামে ২০ ভরি এবং স্ত্রীর নামেও ২০ ভরি স্বর্ণ দেখানো হয়েছে।
ইলেকট্রনিক সামগ্রীর মূল্য ধরা হয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার ১২০ টাকা এবং আসবাবপত্রের মূল্য ২০ হাজার টাকা।
সব মিলিয়ে অস্থাবর সম্পদের অধিগ্রহণকালীন মোট মূল্য দেখানো হয়েছে ২৬ লাখ ৬৪ হাজার ৫১৮ টাকা, যার বর্তমান আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১ কোটি ৯৮ লাখ টাকা।
স্থাবর সম্পদের মধ্যে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত ৩৩১ দশমিক ৫০ শতাংশ কৃষিজমি, অকৃষিজমির অধিগ্রহণমূল্য দেখানো হয়েছে ৫৩ লাখ ৫ হাজার টাকা। গ্রামের বাড়ির মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে ৭ লাখ ৫৫ হাজার টাকা।
স্থাবর সম্পদ অধিগ্রহণকালীন মোট মূল্য ৫৩ লাখ ৫ হাজার টাকা হলেও বর্তমান আনুমানিক মূল্য দেখানো হয়েছে প্রায় ১৫ কোটি ৬৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।
তিনি ছেলের কাছ থেকে ৮ লাখ টাকা, মেয়ের কাছ থেকে ১৭ লাখ টাকা এবং স্ত্রীর নামে সন্তান ও আত্মীয়দের কাছ থেকে ২৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা ধার নিয়েছেন।
আরপি/টিএ