বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের (বৈছাআ) হবিগঞ্জ জেলার সদস্যসচিব মাহদী হাসানের মুক্তির দাবিতে শাহবাগে অবরোধ কর্মসূচি পালন করছে সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা। আজ শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে তারা শাহবাগে জড়ো হয় ৷
এর আগে, শবিবার রাত ১০টার দিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে দেওয়া এক পোস্টে সংগঠনটির সভাপতি রিফাত রশিদ বলেন, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন হবিগঞ্জ শাখার সদস্যসচিব মেহেদীকে পুলিশ লীগ কর্তৃক গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। স্বরাষ্ট্র, আইন উপদেষ্টাকে কল দেয়ার পরেও তাদেরকে পাওয়া যায়নি। আইজিপিকে কল দেয়ার পর তার কথাবার্তার টোন সন্তোষজনক না। হবিগঞ্জের এসপির ভাষ্য হলো মাহাদীকে এখনই পুলিশলীগ হত্যা মামলায় এরেস্ট দেখানো হবে না। আপাতত অন্যান্য মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে। সেলুকাস।’
ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও বলেন, ‘আনঅফিশিয়াল সূত্রে পুলিশের মধ্য থেকে জানানো হয়েছে যে, পুলিশের ইন্টার্নাল প্রেশারে পরেই মাহাদীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অর্থাৎ পুরো পুলিশি আমলাতন্ত্র ছাত্র-জনতার বিপরীতে অবস্থান নিয়েছে। জুলাইয়ের ছাত্রজনতার প্রতি ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে নির্বাচনকালীন সহিংসতাকারী ট্যাগ দিয়ে সিরিজ গ্রেপ্তারের পরিকল্পনাও করা হচ্ছে বলে জানতে পেরেছি।’
ওই পোস্টে রিফাত রশিদ সময় বেধে দিয়ে বলেন, ‘আমরা স্পষ্টভাবে ঘোষণা দিচ্ছি, ১ ঘন্টার মাঝে মাহাদী হাসানকে মুক্তি দিতে হবে। অন্যথায় দেশজুড়ে কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা আসছে। ইউনুস, ইন্টিরিম আর পুলিশলীগের ঘোষণাপত্র আর ইনডেমনিটি ইনডেমনিটি খেলার আমরা শেষ দেখে ছাড়বো।’
গত শুক্রবার হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসিকে প্রকাশ্যে হুমকি দেন মাহদী হাসান। সামাজিক মাধ্যমে ওই ভিডিও ভাইরাল হলে ব্যাপক আলোচিত হয়। এরপর শনিবার দুপুরে মাহদীকে কারণ দর্শানোর চিঠি দেয় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন। চিঠির কপি সংগঠনের ফেসবুক পেজে প্রকাশও করা হয়। এরপর মাহদী হাসানকে আটক করে পুলিশ। এর কিছুক্ষণ পরে বৈছাআর ফেসবুক পেজ থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ সরিয়ে নিয়ে তার মুক্তির দাবিতে নতুন পোস্ট দেওয়া হয়।
ইউটি/টিএ