ভেনেজুয়েলার প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা মারিয়া করিনা মাচাদো দ্রুত দেশে ফিরে আসার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তার ‘শত্রু’ নিকোলাস মাদুরোকে উৎখাত করায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রশংসা করেন এবং তার আন্দোলনকে একটি অবাধ নির্বাচনে জয়ের জন্য প্রস্তুত করার কথা জানান।
তবে, ট্রাম্প আপাতত অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ এবং মাদুরো সরকারের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে কাজ করার আশা করছেন বলে মনে করা হচ্ছে। যা বিরোধীদের হতাশ করেছে এবং ভেনেজুয়েলায় উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
৫৮ বছর বয়সী মাচাদো বলেন, ‘আমি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভেনেজুয়েলায় ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি।’
যিনি অক্টোবরে ভেনেজুয়েলা থেকে ছদ্মবেশে পালিয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কার গ্রহণ করেছিলেন, যা তিনি ট্রাম্পকে উৎসর্গ করেন।
মাচাদো ফক্স নিউজের ‘হ্যানিটি’ প্রোগ্রামে আরও বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, এই পরিবর্তনটি এগিয়ে নিয়ে যাওয়া উচিত। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে, আমরা ৯০ শতাংশ এরও বেশি ভোট জিতব।
এদিকে, ট্রাম্প এনবিসি নিউজকে বলেছেন, নির্বাচনের আগে ভেনেজুয়েলার সমস্যা সমাধানে আমেরিকার সাহায্য করা উচিত, তবে ৩০ দিনের সময়সীমাকে অবাস্তব বলে অভিহিত করেছেন।
বলেন, ‘আমাদের প্রথমে ভেনেজুয়েলাকে ঠিক করতে হবে। সেখানকার জনগণ এখন ভোট দেয়ার মতো অবস্থায় নেই।’
সোমবার রাতে দেয়া সাক্ষাৎকার, যা মার্কিন কমান্ডোদের হাতে কারাকাসে মাদুরো ধরা পড়ার পর মাচাদোর প্রথম সাক্ষাৎকার।
মাচাদো তার অবস্থান বা ভেনেজুয়েলায় ফিরে আসার বিষয়ে আর বিস্তারিত কিছু বলেননি।
তাছাড়া মাদুরোর সমাজতান্ত্রিক দলের অনুগতরা এখনও ক্ষমতায় রয়েছেন এবং সামরিক বাহিনীতে বিদ্রোহ প্ররোচনার জন্য মাচাদোর বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।
এর আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, ভেনেজুয়েলায় মাচাদোর সমর্থনের অভাব রয়েছে। যদিও বিরোধী দল, কিছু আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক এবং অনেক মার্কিন মিত্র বলেছেন, ২০২৪ সালের নির্বাচনে মাচাদোর আন্দোলনকে জয় থেকে প্রতারিত করা হয়েছিল, যে নির্বাচনে মাচাদোকে নিষিদ্ধ করা হয় এবং তার পরিবর্তে একজন মিত্র দাঁড়ান। এদিকে, ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরোকে উৎখাত করায় ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মাচাদো। বলেছেন তিনি ব্যক্তিগতভাবে ট্রাম্পকে নোবেল পুরষ্কার দেবেন।