© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

দীর্ঘ চার বছর বিরতির পর ফিরছে বিটিএস, ২০ মার্চ প্রকাশিত হবে নতুন অ্যালবাম

শেয়ার করুন:
দীর্ঘ চার বছর বিরতির পর ফিরছে বিটিএস, ২০ মার্চ প্রকাশিত হবে নতুন অ্যালবাম

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৩:২৫ পিএম | ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬
কোরিয়ান পপ গান দিয়ে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে কে-পপ বা দক্ষিণ কোরীয় পপ সংগীতের বিশ্বজয়ী দল ‘বিটিএস’। দক্ষিণ কোরিয়ার বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণ ও একক ক্যারিয়ারে ব্যস্ত থাকার কারণে দীর্ঘ চার বছর বিরতিতে ছিল ব্যান্ডটি। এবার ফেরার পালা। এ বছরের ২০ মার্চ প্রকাশিত হবে তাদের নতুন অ্যালবাম। পূর্ণাঙ্গ অ্যালবামটি বিটিএসের সাত সদস্যকে পাওয়া যাবে।

আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সিউলে বহুল প্রতীক্ষিত ওয়ার্ল্ড ট্যুরের তারিখ ও স্থানের নামও প্রকাশ করে বিটিএস। খবর সিএনএনের।

আগামী এপ্রিল মাসে দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়াং শহর থেকে শুরু হবে তাদের বিশ্বজুড়ে কনসার্টের এ ট্যুর। সফরটি ২০২৭ সালের মার্চে ফিলিপাইনের ম্যানিলায় শেষ হওয়ার কথা। যদিও জাপান ও মধ্যপ্রাচ্যে আরও কনসার্ট যোগ হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

ট্যুরের আওতায় পাঁচটি মহাদেশে (এশিয়া, উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ, দক্ষিণ আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়া) মোট ৭৯টি কনসার্ট আয়োজন করা হবে বলে জানানো হয়েছে। ২০২২ সালে 'পারমিশন টু ডান্স অন স্টেজ' ছিল ব্যান্ডটির শেষ ওয়ার্ল্ড ট্যুর।

সে বছর জনপ্রিয়তার শীর্ষে থেকেই সাময়িক বিরতি নেয় বিটিএস। কে-পপের বিশ্বজয়ী দলটির সদস্যরা (রিম, জিন, সুগা, জে-হোপ, জিমিন, ভি, জুং কুক) ভক্তদের কাছে 'আর্মি' নামে পরিচিত।



এদিকে, ব্যান্ডটির প্রকাশ করা তিনটি লাল বৃত্তের রহস্যময় ছবিটি নিয়েও ভক্তদের মধ্যে চলছে জল্পনা-কল্পনা।

উল্লেখ্য, দক্ষিণ কোরিয়ার সব পুরুষ নাগরিককে কমপক্ষে ১৮ মাস সামরিক দায়িত্ব পালন করতে হয়। এই নিয়মের কারণেই মূলত বিটিএস সাময়িকভাবে বিরতি নেয়।

বিটিএস ২০১৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে, যদিও দলটি গঠিত হয়েছিল তার তিন বছর আগে। প্রথমে এশিয়াজুড়ে জনপ্রিয় হলেও পশ্চিমা বাজারে ব্যান্ডটির পরিচিতি ছিল সীমিত। সেই চিত্র বদলাতে শুরু করে ২০১২ সালে সাই-এর ভাইরাল গান ‘গ্যাংনাম স্টাইল’-এর সাফল্যের সুবাদে।

মার্কিন পপ সংস্কৃতিতে বিটিএসের প্রবেশকে কে-পপের জন্য বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হয়। ২০১৭ সালে তারা প্রথম কে-পপ শিল্পী হিসেবে বিলবোর্ড মিউজিক অ্যাওয়ার্ড জয় করে। ২০১৮ সালে ‘স্যাটারডে নাইট লাইভ’-এ পারফর্ম করে এবং ২০২০ সালে গ্র্যামি মনোনয়ন পায়।

২০২০ এবং ২০২১ সালে বিশ্বের সর্বাধিক বিক্রিত সংগীতশিল্পী ছিলেন, যাদের ছয়টি অ্যালবাম ও সমান সংখ্যক একক গান যুক্তরাষ্ট্রের চার্টে শীর্ষস্থান দখল করেছিল।

এসকে/টিএ

মন্তব্য করুন