বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ভোর থেকেই ঘন কুয়াশা আর শীতল বাতাসে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে পুরো জেলা। সকাল ৬টায় দিনাজপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১০.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বাতাসের আদ্রতা ছিল ৮৩ শতাংশ।
পরে দিনাজপুর আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ তোফাজ্জল হোসেন জানান, সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছে ৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। তীব্র এই শীতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ, দিনমজুর, রিকশাচালক ও ছিন্নমূল জনগোষ্ঠী।
দিনাজপুরের পাশাপাশি রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলাতেও শীতের প্রকোপ স্পষ্ট। সকাল ৬টায় রেকর্ড করা তাপমাত্রা অনুযায়ী, পঞ্চগড়ের তেতুলিয়ায় ৮.০ ডিগ্রি, রাজারহাটে (কুড়িগ্রাম) ৯.৮ ডিগ্রি, ডিমলায় (নীলফামারী) ১১.০ ডিগ্রি এবং রংপুরে ১২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বিরাজ করে।
আবহাওয়া অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেতুলিয়ায় ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা চলতি শীত মৌসুমে উত্তরের মানুষের কষ্ট আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
এদিকে তীব্র শীত ও কুয়াশার কারণে সকাল থেকে সড়কে যান চলাচল কমে গেছে। স্কুলগামী শিশু ও বয়স্করা পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে। অনেক এলাকায় শীতবস্ত্রের অভাবে অসহায় মানুষ খোলা আকাশের নিচে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।
সকালে ঘন কুয়াশা ও ঠাণ্ডা বাতাসের কারণে স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় কিছুটা ব্যাঘাত ঘটছে।
এমকে/এসএন