বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে কারও সঙ্গে যোগাযোগ বা আর্থিক লেনদেনে না জড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এমপিওভুক্তির পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনে সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন হবে; এতে কোনো ধরনের ম্যানুয়াল মূল্যায়নের সুযোগ নেই।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ জানুয়ারি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির লক্ষ্যে একটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। ওই গণবিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ১৪ জানুয়ারি থেকে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, এমপিও নীতিমালা–২০২৫ অনুযায়ী নির্ধারিত মানদণ্ডের ভিত্তিতে অনলাইনে আবেদন করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সফটওয়্যারের মাধ্যমে গ্রেডিং করা হবে। সেই গ্রেডিংয়ের ভিত্তিতে এমপিওভুক্তির জন্য তালিকা প্রণয়ন করা হবে।
এ কারণে এমপিওভুক্তির বিষয়ে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করা কিংবা আর্থিক লেনদেনে জড়ানোর প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। এ ধরনের কার্যক্রমে প্রতারিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও সতর্ক করা হয়েছে। একই সঙ্গে এমপিওভুক্তি সংক্রান্ত বিষয়ে লিখিত, মৌখিক বা সুপারিশের মাধ্যমে কোনো আবেদন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ বা এর অধীন কোনো দপ্তরে দাখিল না করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
শুধুমাত্র ‘Online MPO Application’ শিরোনামে প্রদর্শিত নির্ধারিত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করার পরামর্শ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নির্ধারিত ওয়েবসাইটগুলো হলো— www.shed.gov.bd, www.dshe.gov.bd এবং
www.banbeis.gov.bd।এবি/টিএ