মানসম্মত উচ্চশিক্ষা প্রদানের দিক দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে অনেকটাই পেছনে ফেলে দিয়েছে চীন। ২০২৫ সালের সিডব্লিউটিএস লেইডেন র্যাঙ্কিং ২০২৫ অনুযায়ী, বিজ্ঞান ক্যাটাগরিতে বিশ্বের শীর্ষ ১০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮টি চীনের। ‘টপ টেনের’ বাকি দুই বিশ্ববিদ্যালয় যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার। খবর এনডিটিভির।
তালিকায় প্রথম ও দ্বিতীয় স্থান দখল করেছে চীনের ঝেজিয়াং বিশ্ববিদ্যালয় এবং সাংহাই জিয়াও টং বিশ্ববিদ্যালয়। তৃতীয় স্থানে ঠাঁই পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়। সিডব্লিউটিএস লেইডেন র্যাঙ্কিং একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, যেখানে বিশ্বের ১ হাজার ৫০০টিরও বেশি শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈজ্ঞানিক কর্মদক্ষতা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উপস্থাপন করা হয়।
নেদারল্যান্ডসের লেইডেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি স্টাডিজ (সিডব্লিউটিএস) এই র্যাঙ্কিং প্রকাশ করে।
২০০৬-২০০৯ সময়কালের তথ্য বিবেচনায় নিয়ে প্রথমবার এই র্যাঙ্কিং প্রকাশিত হয়। প্রাথমিকভাবে র্যাঙ্কিংয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আধিপত্য দেখা যায়। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় তখন শীর্ষস্থানে ছিল। দ্বিতীয় স্থানে ছিল ইউনিভার্সিটি অব টরন্টো এবং তৃতীয় স্থানে ইউনিভার্সিটি অব মিশিগান। ওই সময়ে শীর্ষ দশে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোরই প্রাধান্য ছিল।
তবে ২০০৬-২০০৯ সময়কালে শীর্ষ দশে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের ছয়টি খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানে শীর্ষ ১৫-তেও নেই। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে রয়েছে ইউনিভার্সিটি অব মিশিগান, ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া-লস অ্যাঞ্জেলেস (ইউসিএলএ), জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব ওয়াশিংটন-সিয়াটল, ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়া এবং স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়।
২০১৯–২০২২ সময়কালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রথমবারের মতো শীর্ষস্থান থেকে সরিয়ে দেয় চীনের ঝেজিয়াং বিশ্ববিদ্যালয়। আর এবার ২০২০–২০২৩ সময়কালের র্যাঙ্কিংয়ে হার্ভার্ডকে তৃতীয় স্থানে নামিয়ে দিলো চীনের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো।
এবারের তালিকায় শীর্ষ দশে থাকা অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো-সিচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়, সেন্ট এস বিশ্ববিদ্যালয়, হুয়াঝং ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, সান ইয়াত-সেন বিশ্ববিদ্যালয়, শিয়ান জিয়াওটং বিশ্ববিদ্যালয়, সিনহুয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউনিভার্সিটি অব টরন্টো (কানাডা)।
সিডব্লিউটিএস লেইডেন র্যাঙ্কিংয়ের ট্র্যাডিশনাল সংস্করণ ওয়েব অব সায়েন্স ডেটাবেসের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। এই সংস্করণে বিশ্বজুড়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বৈজ্ঞানিক কর্মদক্ষতা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হয়।
সূত্র: এনডিটিভি
এসকে/টিকে