ইরান-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনার রেশ কাটতে না কাটতেই তেহরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা দিলো ট্রাম্প প্রশাসন। এবার ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির সহযোগী ও ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছেন, ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের (এসএনসিএস) সেক্রেটারি আলি লারিজানিসহ দেশটির রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তারাও। বিক্ষোভকারীদের দমন-পীড়নের অভিযোগ তুলে নিষেধাজ্ঞাটি আরোপ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।
এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট বলেন, ‘স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের দাবিতে ইরানের জনগণের পাশে যুক্তরাষ্ট্র দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে আছে।’
তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে নির্মম দমন-পীড়নের সঙ্গে জড়িত গুরুত্বপূর্ণ ইরানি নেতাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হচ্ছে। মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য দায়ীদের লক্ষ্য করতে ট্রেজারি বিভাগ সব ধরনের উপায় ব্যবহার করবে।’
এই নিষেধাজ্ঞার ফলে যুক্তরাষ্ট্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যেকোনো সম্পদ জব্দ হবে এবং মার্কিন নাগরিকদের তাদের সঙ্গে ব্যবসা করা নিষিদ্ধ হবে।
গেল সপ্তাহে ইরানে সরকার উৎখাতের উদ্দেশে রাজপথে নামেন হাজার হাজার বিক্ষোভকারী। এসময় তারা খামেনির পদত্যাগ দাবি করেন। বিক্ষোভে নিহত হয়েছেন দুই হাজারের বেশি মানুষ।
উত্তজনার মধ্যেই এই বিক্ষোভকে পূর্ণ সমর্থন দেয় মার্কিন প্রশাসন। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশ্যেই বলেন, ইরান স্বাধীনতার খুব কাছাকাছি রয়েছে। এরপর বাড়ে দুই দেশের মধ্যে সামরিক যুদ্ধের শঙ্কা।
এবি/টিএ