৬৫ বলে ১১০ রান করে অপরাজিত থেকে ইনিংস বিরতিতে যান সিডনি থান্ডারের ডেভিড ওয়ার্নার। কে জানত, এই মঞ্চে সেঞ্চুরি করে ম্যাচসেরা হবেন তারই এক সময়ের জাতীয় দলের সতীর্থ ও সিডনি সিক্সার্স ওপেনার স্টিভ স্মিথ! ওয়ার্নারের সেঞ্চুরিটা আগ্রাসী হলে স্মিথেরটা ধ্বংসলীলা।
৪২ বলে ঠিক ১০০ রান করে আউট হন স্মিথ। তার ধ্বংসলীলার ইনিংসে ছয়ের মারই ছিল ৯টি, চার ৫টি। ওয়ার্নারের ইনিংসে ছয় ও চার ছিল যথাক্রমে ৪ ও ১১টি। সেঞ্চুরি করার পথে ওয়ার্নারকে হারানো স্মিথ ম্যাচও জিতেছেন। সেটাও অনায়াসে, ১৯০ রান তাড়ায় ৫ উইকেটের জয়টি ১৬ বল হাতে রেখে। মিচেল স্টার্কের ফেরাটা স্মরণীয়ই হলো। সিডনির এ পেসার প্রায় ১১ বছর পর আজ বিগ ব্যাশে খেলতে নেমেছিলেন।
স্মিথের তাণ্ডবে বিগ ব্যাশে একটি রেকর্ডও হয়েছে। এক ওভারে সর্বোচ্চ রান তোলার রেকর্ড বদলে দিয়েছেন স্মিথ। রায়ান হ্যাডলির করা ১২তম ওভারে উঠেছে ৩২ রান, যেখানে স্মিথ ৪টি ছয়ের পাশাপাশি একটি চার মেরেছেন। একটি বল নো ও একটি বল ওয়াইড হয়েছিল।
একটুর জন্য বিগ ব্যাশের দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডে নাম তোলার সুযোগ হাতছাড়া হয় স্মিথের। যা যৌথভাবে ক্রেগ সিমন্স ও মিচেল ওয়েনের দখলে। ২০১৪ সালে সিমন্স ও গত বছর ওয়েন ৩৯ বলে সেঞ্চুরি করেন। ৩৮ বলে সেঞ্চুরি পূরণ করার জন্য মাত্র ২ রান দরকার ছিল স্মিথের, কিন্তু নিতে পারেন মাত্র ১। স্মিথ অবশেষে সেঞ্চুরি করেন ৪১তম বলের মোকাবিলায়।
সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে স্মিথকে ৪৭ রান করে সঙ্গ দেন পাকিস্তানি ওপেনার বাবর আজম। এরপর ল্যাচলন শর ১৩ ও জ্যাক এডওয়ার্ডসের ১৭ রানে সিক্সার্সের জয় নিশ্চিত হয়। ওয়ার্নার ছাড়া থান্ডারের ৬ উইকেটে ১৮৯ রানের মধ্যে নিক ম্যাডিসন ২৬, স্যাম বিলিংস ১৪, ম্যাথু গিলকস ১২ ও ডানিয়েল সামস ১০ রান করেন। সিক্সার্সের হয়ে ৩ উইকেট নেন স্যাম কারেন।
এই জয়ে ১১ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের চারে উঠলো সিক্সার্স। প্লেঅফের একটি স্পটের জন্য তাদের সঙ্গে লড়াই ব্রিসবেন হিটের। হিট ১০ পয়েন্ট নিয়ে আছে পাঁচ নম্বরে। শেষ ম্যাচে এই দুদলই একে অপরের মুখোমুখি হবে।
এসকে/টিকে