অতিরিক্ত প্রোমোশনের বিশ্বাসী নন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। চলতি বছরের সরস্বতী পুজোয় মুক্তি পেতে চলেছে তাঁর নতুন ছবি ‘ভানুপ্রিয়া ভূতের হোটেল’। ছবির প্রোমোশন শুরু হয়েছে মাত্র কয়েকদিন আগে। সম্প্রতি একটি প্রচারমূলক সাক্ষাৎকারে প্রোমোশন নিয়ে নিজের স্পষ্ট মতামত তুলে ধরেন অভিনেত্রী।
বর্তমানে বাংলা সিনেমার ক্ষেত্রে প্রোমোশন একটি বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেবের বড় বাজেটের ছবি ‘খাদান’, ‘রঘু ডাকাত’-এর জন্য বেঙ্গল ট্যুর থেকে শুরু করে নানা অভিনব প্রচার কৌশল নজর কাড়ে দর্শকের। একইভাবে ‘দেবী চৌধুরানী’ ছবির ক্ষেত্রে শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় ও প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে কলকাতার রাস্তায় ঘোড়ায় চড়ে প্রচার করতেও দেখা গিয়েছে। আবার ইউন্ডোজ প্রোডাকশনের ‘বহুরূপী’ ছবির গানে ধর্মতলায় বৃষ্টির মধ্যে নাচতে দেখা গিয়েছিল কৌশানী মুখোপাধ্যায়কে। এমনকি ‘রক্তবীজ ২’ ছবির গানেও ভিড়ের মাঝে নাচতে দেখা যায় নুসরত জাহানকে।
তবে এই ধরনের অতিরিক্ত প্রোমোশনে বিশ্বাসী নন মিমি। টিভি৯ বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমি বিশ্বাস করি দর্শকদের যেটা দেখার, সেটা তাঁরা নিজেরাই দেখবেন। ওতো প্রোমোশন করে কোনও লাভ নেই। এটা অবশ্যই আমার ব্যক্তিগত মতামত।”
মিমির মতে, ছবির পোস্টার, ট্রেলার, টিজার কিংবা গান যদি আকর্ষণীয় হয়, তাহলেই দর্শক হলে যাবেন। পাশাপাশি তিনি আরও জানান, অতিরিক্ত প্রোমোশন মানেই বাড়তি খরচ, যা প্রোডাকশন ভ্যালু বাড়ায় ঠিকই, কিন্তু সব সময় প্রয়োজনীয় নয়।
কেএন/টিকে