এক সময় সিনেমা, বিজ্ঞাপন এবং টেলিভিশন সবখানেই আলো ছড়িয়েছিলেন মোহনীয় অভিনেত্রী রিমি সেন। ২০০০ সালের দিকে একাধিক হিট ছবি দিয়ে রিমি সেন স্বল্প সময়ে হয়ে ওঠেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী। তবে সিনেমাপ্রেমীদের মন মাতানো এই অভিনেত্রী প্রায় এক যুগ আগে সিনেমাজগৎ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেন। বর্তমানে দুবাইয়ে থাকছেন তিনি।
এক সময়ের বলিউড স্টার রিমি সেন রুপালি পর্দার আলো ছেড়ে এক ভিন্ন পথে নিজের ক্যারিয়ার গড়েছেন। তিনি এখন দুবাইয়ে রিয়েল এস্টেটে সফলভাবে ব্যবসা করছেন।
এক সময় সিনেমা, বিজ্ঞাপন এবং টেলিভিশন সবখানেই আলো ছড়িয়েছিলেন মোহনীয় অভিনেত্রী রিমি সেন। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে নিজের ‘নতুন জীবন’ নিয়ে মুখ খুলেছেন রিমি।
দুবাইয়ের পরিবেশ নিয়ে রিমি বলেন, ‘দুবাই মানুষকে আপন করতে জানে। এখানে সকল মানুষের স্থান আছে। যেমন মসজিদ আছে, তেমনই রয়েছে মন্দিরও। এখানকার শহরগুলির লক্ষ্য হল মানুষের জীবনকে সহজ, বিলাসবহুল ও আরামদায়ক করা।’
দুবাইকে নিয়ে যেমন প্রশংসায় করেছেন রিমি তেমনি ভারতকে নিয়ে নিজের অসন্তোষের কথা জানান। তার কথায়, ‘আমাদের দেশে এরকম পরিবেশ দেখতে পাই না। কারণ সরকার রাতারাতি নীতি বদলে দেয়, মানুষের জীবনকে আরো কঠিন করে তোলে। হাজার হাজার কর ও বহু জটিলতা রয়েছে। ভারত আর ব্যবসাবান্ধব দেশ নেই।’
বর্তমানে দুবাইয়ে থাকছেন রিমি, দুবাইয়ের সঙ্গে ভারতের রিয়েল এস্টেট ব্যবসার পার্থক্যও বোঝান রিমি। তিনি বলেন, ‘দুবাইতে প্রোপার্টি এজেন্টদেরকে ফাইন্যান্সিয়াল কনসালট্যান্ট হিসেবে দেখা হয় আর ভারতে যদি কেউ দুই মাসের কমিশন চায় মানুষ এমনভাবে তাকায় যেন আপনি অপরাধ করেছেন।’
আমির খান, সালমান খান এবং অজয় দেবগনের মতো কিংবদন্তি তারকার সঙ্গে একাধিক হিট সিনেমায় অভিনয় করেন রিমি সেন।
তার উল্লেখযোগ্য হিট মুভির মধ্যে রয়েছে ‘হাঙ্গামা’(২০০৩), ‘ধুম(২০০৪)’, ‘গোলমাল’(২০০৬), ‘ফির হেরা ফেরি’(২০০৬), ‘গরম মশলা’(২০০৫), ‘কিঁউ কি’(২০০৫) ‘ধুম ২’(২০০৬), ‘হ্যাটট্রিক’(২০০৭), ‘জনি গদ্দার(২০০৭)’, ‘দে তালি(২০০৮)’, ‘থ্যাঙ্ক ইউ’(২০১১)।
রিমির শেষ সিনেমা ছিল ২০১১ সালে তিগমাংশু ধুলিয়ার 'শাগরিদ’ এ। আজ তিনি সিনেমার আলো ছেড়ে এখন দুবাইয়ের আকাশচুম্বী রিয়েল এস্টেট জগতে নিজের নাম গড়ছেন।
আইকে/টিএ