© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

রানির কণ্ঠস্বর নিয়ে প্রযোজকের আপত্তি থাকলেও সিদ্ধান্তে অনঢ় ছিলো করণ জোহর

শেয়ার করুন:
রানির কণ্ঠস্বর নিয়ে প্রযোজকের আপত্তি থাকলেও সিদ্ধান্তে অনঢ় ছিলো করণ জোহর

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৬:১৩ পিএম | ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬
বলিউড অভিনেত্রী রানি মুখার্জি প্রায় তিন দশকের পথচলায় অসংখ্য সফল সিনেমা দর্শকদের উপহার দিয়েছেন। তার একের পর এক সাফল্যে নিজেকে প্রমাণ করেছেন তিনি। সম্প্রতি অভিনেত্রীর আসন্ন সিনেমা ‘মর্দানি ৩’-এর ঝলক ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে বাড়তি উত্তেজনা তৈরি করেছে। তবে এ সাফল্যের আড়ালেও কর্মজীবনের শুরুতে নানা প্রতিকূলতার মুখে পড়তে হয়েছিল তাকে। বিশেষ করে নিজের কণ্ঠস্বর নিয়ে বেশ সমালোচিত হন অভিনেত্রী। করণ জোহরের এক সাক্ষাৎকারে এমন কথাই জানান রানি মুখার্জি।

সেই কঠিন সময়ের কথা মনে করে আবেগে ভেঙে পড়েন অভিনেত্রী। তিনি বলেন, আজ তার কণ্ঠস্বরের অনেক অনুরাগী থাকলেও শুরুতে বিষয়টি ছিল একেবারেই ভিন্ন। তখন প্রায়ই প্রশ্ন উঠত- সিনেমায় ডাবিং কি আদৌ তার নিজের কণ্ঠে হবে, নাকি অন্য কাউকে দিয়ে করানো হবে?

রানি মুখার্জি বলেন, করণ জোহরের প্রথম পরিচালিত সিনেমা ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’-এর সময়, তার ওপর প্রবল চাপ ছিল যেন তার কণ্ঠের নেপথ্যে অন্য কাউকে রাখা হয়। তবে সেসব উপেক্ষা করে পরিচালক দৃঢ়ভাবে সিদ্ধান্ত নেন- ডাবিং হবে রানির কণ্ঠেই। সেই সিদ্ধান্তের কথা বলতে গিয়েই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন অভিনেত্রী। তখন স্নেহভরে রানির কপালে চুম্বন দেন করণ জোহর।



অভিনেত্রীর স্বামী বলি প্রযোজক আদিত্য চোপড়াও বরাবরই তার কণ্ঠস্বর পছন্দ করতেন। চোখের পানি মুছতে মুছতেই অভিনেত্রী বলেন, আদিত্য ও করণ- এই দুজনের সমর্থনই তাকে নিজের কণ্ঠস্বরের ওপর আস্থা রাখতে সাহায্য করেছে। 

স্মৃতিচারণ করে করণ জোহরও বলেন, রানির কণ্ঠ তার বরাবরের মতো পছন্দ। রানির কণ্ঠ নিয়ে এক প্রযোজক স্পষ্টভাবে তাকে জানিয়েছিলেন- সিনেমায় রানির কণ্ঠ বদলাতে হবে। কিন্তু সেই প্রস্তাব তিনি মানেননি। 

সে কারণে করণ জোহরকে নিজের জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলেই মনে করেন রানি মুখার্জি। আবেগভরা কণ্ঠে অভিনেত্রী বলেন, আজ আমরা এ বিষয়টি নিয়ে হাসি-মজা করি ঠিকই; কিন্তু তখন তুমি (করণ) চাপে পড়ে অন্য সিদ্ধান্ত নিতেই পারতে। ওটা ছিল তোমার প্রথম ছবি। তবু তুমি নিজের মতামতে অনড় ছিলে। এ কারণেই তুমি করণ জোহর বলে জানান রানি মুখার্জি।
রানির এ স্বীকারোক্তি আবারও মনে করিয়ে দেয়-সাফল্যের পথ কখনো সহজ হয় না। কিন্তু পাশে থাকা মানুষের সমর্থনই একজন শিল্পীকে নিজের জায়গায় পৌঁছে দেয়।

কেএন/টিকে

মন্তব্য করুন