না ফেরার দেশে চলে গেলেন সংগীত পরিচালক ও গীতিকার অভিজিৎ মজুমদার। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল নয়টায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৪ বছর।
পারিবারিক ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন এই সুরকার।
গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে কোমায় চলে যান তিনি। সে সময় তাকে ভর্তি করা হয় ভুবনেশ্বরের এমস (AIIMS) হাসপাতালে।
চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, কোমা থেকে কিছুটা সুস্থ হয়ে উঠলেও অভিজিৎ মজুমদারের শরীরে একাধিক জটিলতা দেখা দেয়। তার স্নায়ুর সমস্যা ও নিউমোনিয়ার পাশাপাশি লিভার-সংক্রান্ত জটিলতা, রক্তজনিত সমস্যা এবং মারাত্মক পুষ্টিহীনতা দেখা দিয়েছিল।
দীর্ঘদিনের অসুস্থতায় শারীরিকভাবে অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েন তিনি।
গত নভেম্বর মাসে শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে তাকে মেডিসিন ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়। এমনকি চিকিৎসকেরা হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়ার কথাও ভাবছিলেন। তবে ব্যক্তিগত কিছু কারণে তখন হাসপাতাল ছাড়তে পারেননি তিনি।
এরপর ২৩ জানুয়ারি আবারও গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন অভিজিৎ মজুমদার। দ্রুত তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। শেষ পর্যন্ত রবিবার সকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
এই প্রখ্যাত সংগীতশিল্পীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন উড়িষ্যার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েক। শোকবার্তায় তিনি বলেন, ‘প্রখ্যাত সংগীত পরিচালক ও গীতিকার অভিজিৎ মজুমদারের প্রয়াণে আমি গভীরভাবে মর্মাহত।
উড়িয়া সংগীতজগতে তার অবদান চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এই দুঃসময়ে তার পরিবারের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা। ঈশ্বর তার আত্মার শান্তি দিন।’
অভিজিৎ মজুমদারের প্রয়াণে উড়িয়া সংগীতজগতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
এমআই/এসএন