টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় থাকায় বাংলাদেশের বিকল্প দল হিসেবে স্কটল্যান্ডকে সুযোগ করে দিয়েছে আইসিসি। এরই মাঝে বাংলাদেশের ক্রীড়া সাংবাদিকদেরও বিশ্বকাপের সংবাদ কাভারের জন্য অ্যাক্রেডিটেশন দেয়নি বিশ্ব ক্রিকেটের এই সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
যা নিয়ে বেশ আলোচনা-সমালোচনা চলছে ক্রিকেটাঙ্গনে। তবে বাংলাদেশি সাংবাদিকদের নিয়ে নিজেদের অবস্থানে যেন সুর নরম করতে যাচ্ছে আইসিসি। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, বাংলাদেশি সংবাদিকদের অ্যাক্রেডিটেশনের অনুরোধ বাতিল হয়েছে দাবি করার পর আবেদন প্রক্রিয়া বদলাচ্ছে আইসিসি। সংস্থাটির সূত্র বলছে, ‘আবেদনের সংখ্যা ও সূচিতে পরিবর্তন আনার পর থেকে পুনরায় (অ্যাক্রেডিটেশন) প্রক্রিয়া চলছে। যথাক্রমে অ্যাক্রেডিটেশন তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে।’
জানা যায়, বাংলাদেশ থেকে ৮০-৯০ জন সাংবাদিক মিডিয়া অ্যাক্রেডিটেশনের জন্য আবেদন করেছে। যদি তাদের দল আইসিসি ইভেন্টে অংশগ্রহণও করে, তবুও সবার অনুমতি মিলবে না। সূত্রের বরাতে পিটিআই বলছে, ‘প্রতিটি দেশের জন্য একটা নির্দিষ্ট কোটা থাকে। ৪০ জনের বেশি সাংবাদিককে কার্ড দেওয়া যায় না। বাংলাদেশ থেকে অনেক বেশি সাংবাদিক আবেদন করেছেন। প্রত্যেককে দেওয়া যাবে না। কাদের কার্ড দেওয়া হবে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তারপর তাদের অনুমতি দেওয়া হবে।’
এদিকে, সাংবাদিকদের বিশ্বকাপ কাভারেজের সুযোগ না দেওয়ার কারণ জানতে চেয়ে আইসিসির কাছে মেইল করেছে বিসিবি। এ প্রসঙ্গে বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন আজ সাংবাদিকদের বলেন, ‘গতকাল (সোমবার) সিদ্ধান্তটা এসেছে। এরপর আমরা জানতে চেয়েছি, ব্যাখ্যা চেয়েছি। ওটা ভেতরের গোপনীয় বিষয়, কিন্তু আমরা জানতে চেয়েছি।
গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য এটা গুরুত্বপূর্ণ নয় যে (তার দেশ) অংশ্রগ্রহণ করতেই হবে। (২০১৩) চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে বাংলাদেশ অংশ নেয়নি তারপরও আমাদের সাংবাদিকরা সেখানে গিয়েছিলেন কাভার করতে। এ ছাড়া ফিফা বিশ্বকাপে আমাদের দল কখনো অংশ নেয়নি কিন্তু সাংবাদিকরা নিয়মিত যান কাভার করতে।’ এখন দেখার বিষয়, শেষ পর্যন্ত আইসিসি কেমন সিদ্ধান্ত নেয়।
আইকে/এসএন