ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরের সময় তুরস্ক শুক্রবার ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দেবে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে বিরোধ পরিস্থিতি আরো তীব্র হলে ইরান সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়টিও বিবেচনা করছে আঙ্কারা।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির শুক্রবারের তুরস্ক সফরটি এমন এক সময়ে হচ্ছে, যখন চলতি মাসের শুরুতে ইরানে প্রাণঘাতী সরকারবিরোধী দমন-পীড়নের পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার হুমকি দিয়েছেন।
একটি মার্কিন নৌ স্ট্রাইক গ্রুপ সোমবার মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় পৌঁছেছে।
এ সময় ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, প্রয়োজনে ইরানে হামলা চালাতে যুক্তরাষ্ট্র ‘প্রস্তুত, ইচ্ছুক এবং সক্ষম’।
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান শুক্রবার আরাঘচিকে জানাবেন, তার দেশ ‘সংলাপের মাধ্যমে বর্তমান উত্তেজনা নিরসনে অবদান রাখতে প্রস্তুত’, এমনটাই জানিয়েছেন একজন তুর্কি কূটনৈতিক সূত্র।
সূত্রটি আরো জানায়, আলোচনার সংবেদনশীলতার কারণে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলা হয়েছে-ফিদান ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো সামরিক হস্তক্ষেপের বিরোধিতা পুনর্ব্যক্ত করবেন এবং এ ধরনের পদক্ষেপের ফলে সৃষ্ট আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ঝুঁকির কথাও তুলে ধরবেন।
বুধবার ফিদান জোর দিয়ে বলেন, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে পুনরায় আলোচনা শুরু করা অত্যন্ত জরুরি এবং এটিই অগ্রাধিকারভিত্তিতে সমাধান করা প্রয়োজন।
তিনি আলজাজিরা টেলিভিশনকে বলেন, ‘ইরানে হামলা করা ভুল। আবার যুদ্ধ শুরু করাও ভুল। ইরান আবার পারমাণবিক ইস্যুতে আলোচনা করতে প্রস্তুত।’
তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, ‘নিকট ভবিষ্যতে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে শান্তিপূর্ণ সমাধানে পৌঁছানোকে তুরস্ক সমর্থন করে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজন হলে সহায়তা দিতেও প্রস্তুত।
আরআই/টিকে