চট্টগ্রামের ১০টি সংসদীয় আসনে পোস্টাল ব্যালট ভোটিং কার্যক্রমে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন। ডাকঘর থেকে ব্যালট গ্রহণ, স্ক্যানিং ও ট্রেজারিতে সংরক্ষণ- পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হবে প্রার্থী বা তাদের এজেন্টদের উপস্থিতিতে এবং সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারিতে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক সভায় এ তথ্য জানান চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। এদিন ১০টি আসনের জন্য প্রয়োজনীয় পোস্টাল ব্যালট বক্স প্রস্তুত ও সিলগালা করার কার্যক্রমও সম্পন্ন করা হয়।
নিরাপত্তায় প্রযুক্তি ও তদারকি রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, ব্যালটের নিরাপত্তা ও সঠিক ব্যবস্থাপনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। স্বচ্ছতা নিশ্চিতে প্রার্থীদের এজেন্টদের নিয়ে একটি সমন্বিত হোয়্যাটসঅ্যাপ গ্রুপ খোলা হয়েছে। প্রতিটি পোস্টাল ব্যালট ট্রেজারিতে রাখার আগে নির্ধারিত সময়ে প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে স্ক্যান করা হবে।
পুরো প্রক্রিয়ার ভিডিও রেকর্ড সংরক্ষণ করা হবে জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, “পোস্ট অফিস থেকে পোস্টাল ব্যালট গ্রহণ, স্ক্যানিং, ট্রেজারিতে সংরক্ষণ থেকে শুরু করে ভোট গণনা পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়া সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় থাকবে। আমরা চাই সবকিছু আপনাদের সামনেই হোক।”
নিবন্ধিত ভোটার সংখ্যা চট্টগ্রাম জেলায় এবার প্রায় ৯৫ হাজার ভোটার পোস্টাল ব্যালটের জন্য আবেদন করেছেন। এর মধ্যে নির্ধারিত ১০টি আসনের জন্য পোস্টাল ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছেন ৬১ হাজারেরও বেশি মানুষ।
জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, স্ক্যানিং শেষে ব্যালটগুলো একটি পৃথক ও সুরক্ষিত কক্ষে রাখা হবে। ভোট গ্রহণ ও গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা বলবৎ থাকবে। যেকোনো পর্যায়ের কার্যক্রম শুরুর আগে প্রার্থী ও তাদের প্রতিনিধিদের অগ্রিম বার্তার মাধ্যমে অবহিত করা হবে বলেও জানানো হয়।
আরআই/টিকে