কেউ ফিরছেন তো কেউ নতুন করে চোট পাচ্ছেন, কেউ অনেক দিন ধরেই আছেন মাঠের বাইরে। এই পরিস্থিতি মোটেও ভালো লাগছে না হান্সি ফ্লিকের। বছর জুড়ে এমন কিছুর পুনরাবৃত্তি এড়াতে সমাধান খুঁজছেন বার্সেলোনা কোচ।
অনেক দিন ধরে মাঠের বাইরে আছেন আন্দ্রেয়াস ক্রিস্তেনসেন ও গাভি। চোট পেয়েছেন মাঝমাঠের বড় ভরসা পেদ্রিও। এবার ছিটকে গেছেন আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় রাফিনিয়া। লা লিগায় সবশেষ ম্যাচে বিরতির পর আর মাঠে নামতে পারেননি তিনি। এবার এসেছে এক সপ্তাহের জন্য তার ছিটকে যাওয়ার খবর।
তাই গোলের জন্য বড় ভরসাদের একজনকে আলবাসেতের বিপক্ষে পাচ্ছেন না ফ্লিক। মঙ্গলবার কোপা দেল রের কোয়ার্টার-ফাইনালে দ্বিতীয় স্তরের দলটির বিপক্ষে খেলবে বার্সেলোনা। এর আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে জার্মান কোচ খেলোয়াড়দের একের পর এক চোটে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
“সত্যি বলতে আমি মোটেও খুশি নই। রাফিনিয়া আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একজন খেলোয়াড়। আমরা দেখব তার কাজে কী পরিবর্তন করতে হবে এবং আমাদের কী পরিবর্তন আনতে হবে।
এখন মৌসুমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ শুরু হতে যাচ্ছে এবং এই সময়ে আমাদের সবাইকে প্রয়োজন। আর এখনই সে খেলতে পারবে না, এটা ভালো নয়।”
রেয়াল মাদ্রিদ, সেল্তা ভিগোর মতো দলকে বিদায় করে কোয়ার্টার-ফাইনালে এসেছে আলবাসেতে। চমক জাগানো দলটিকে নিয়ে সাবধানী বার্সেলোনা কোচ।
“আমরা সবসময় প্রতিপক্ষ নিয়ে বিশ্লেষণ করি। ওরা কোথায় ভালো করেছে, তা দেখার জন্য সেল্তা ভিগো ও রেয়াল মাদ্রিদের ম্যাচ খুব গুরুত্বপূর্ণ।”
“প্রাথমিকভাবে আমরা কেমন মানসিকতা ও মনোভাব নিয়ে মাঠে খেলি, সেটা গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের ছোট ছোট কিছু ব্যাপারে উন্নতি করতে হবে। এলচের বিপক্ষে ম্যাচ আমার ভালো লেগেছে, যেভাবে খেলেছি, তা ভালো লেগেছে। এটা সত্য যে আমরা কিছু বড় সুযোগ হাতছাড়া করেছি। এটা সবকিছু নিখুঁত করার বিষয় নয়, উন্নতি করাটাই আসল। আর আমার মনে হয়, আমরা অনেক উন্নতি করেছি।“
উদাহরণস্বরূপ গত নভেম্বরে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে চেলসির বিপক্ষে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত হওয়া ম্যাচ এবং এরপর দলের পারফরম্যান্সের উন্নতির কথা বললেন ফ্লিক।
“চেলসি ম্যাচের পর আমরা কোথায় ছিলাম, ওই সময়ে দৃষ্টি দিলেই বোঝা যায় আমরা কতটা উন্নতি করেছি। দলের (এগিয়ে যেতে) আত্মবিশ্বাস দরকার এবং আমাদের উচিত তাদের প্রতি বিশ্বাস রাখা। আগামীকালের (মঙ্গলবার) লড়াইয়ে মানসিকতা হবে গুরুত্বপূর্ণ। দলে অনেক মানসম্পন্ন খেলোয়াড় আছে, কিন্তু সঠিক মানসিকতাই ব্যবধান গড়ে দেবে।“
এমআই/টিএ