ফুটবল খেলায় রেফারিদের গুরুত্ব যে অপরিসীম তা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। মাঠের সবটা নিয়ন্ত্রণে রেখে সুষ্ঠুভাবে খেলা সম্পন্ন করেন তাঁরাই। এরই পাশাপাশি আলোচনায় আসে তাঁদের ব্যক্তিত্বের ছটাও। গোটা বিশ্বের কয়েকজন মহিলা রেফারিকে একডাকে চেনে বিশ্ব। কেবল খেলা পরিচালনাই নয়, উষ্ণতার আবেশেও সমান জনপ্রিয় এই 'হট' রেফারিরা।
ব্রাজিলের ২৮ বছরের ফার্নান্দা কলম্বো উলিয়ানা একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি। ব্রাজিলেইরো সিরি এ-র ম্যাচগুলি খেলানোর ফাঁকেই ইন্টারনেট সেনসেশন হয়ে ওঠেন এই মডেল-সদৃশ রেফারি। ব্রাজিলের সর্বোচ্চ পর্যায়ের ফুটবল খেলানোই স্বপ্ন উলিয়ানার।
৩৫ বছরের ক্লদিয়া রোমানি বিশ্বের 'সেক্সিয়েস্ট' তথা সবচেয়ে যৌন আবেদনময়ী রেফারি ধরা হয়। ইটালির সিরি এ ও সিরি বি- দুই ধরনের ফুটবল খেলান তিনি। তবে কেবল মডেলের মতো দেখতেই নন, তিনি নিজে মডেল। ইনস্টায় তাঁর বিকিনি পরিহিত ছবি ঝড় তোলে নেট ভুবনে।
সুইজারল্যান্ডের ২৭ বছর বয়সি অরেলি সারা বলিয়ার একজন পেশাদার রেফারি। ফুল টাইম রেফারি হওয়ার পাশাপাশি অসাধারণ লুকের অধিকারি অরেলির ফ্যানসংখ্যা বিপুল। তাঁকেই এই মুহূর্তে ইউরোপের সবচেয়ে সেক্সি রেফারি ধরা হয়।
ইটালির এলেনা তাম্বিনি পেশায় একজন মডেল। পাশাপাশি ফুলটাইম রেফারিও। সেদেশের ছোটদের লিগ খেলানোর সময়ই প্রথমবার সকলের নজর কাড়েন এলেনা। পরে সিরি এ ফুটবলও খেলাতে দেখা যায় তাঁকে। অনেকের মতে এলেনাই বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দরী রেফারি।
কেটি প্যাটারসনের বয়স মাত্র ২৪। অস্ট্রেলীয় এই রেফারির এনপিএল মহিলা লিগের পাশাপাশি ওয়েস্টফিল্ড ডবলিউ লিগের মতো বহু লিগ খেলানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে। মহিলা ফুটবলের আরও উন্নতি হোক এমনটাই চান তিনি।
৩৬ বছর বয়সি ক্লদিয়া আম্পায়ারেজ উরুগুয়ের নাগরিক। খেলা পরিচালনার দক্ষতার পাশাপাশি তাঁর রূপলাবণ্যও নেট ভুবনের চর্চায়। তিনি স্বপ্ন দেখেন মহিলা রেফারির সংখ্যা আগামিদিনে বাড়বে। নিজের কাজের প্রতি তাঁর প্যাশন অবিশ্বাস্য। সন্তানকে স্তন্যপান করানোর সময়ও নিয়মিত অনুশীলন করাতেন তিনি।
২৮ বছরের লুসি অলিভার ছিলেন প্রাক্তন অধ্যাপক। পরে চাকরি ছেড়ে রেফারি হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি একজন লেভেল ৩ রেফারি। ইটালির এই মহিলা রেফারিও বেশ জনপ্রিয়।
ব্রাজিলের ২৩ বছরের ডেনিস বুয়েনো সাও পাওলোয় একটি ফুটবল ম্যাচ পরিচালনা করা পর রাতারাতি চর্চায় উঠে আসেন। শর্ট ও সাদা টি-শার্ট পরে যেভাবে তিনি মাঠে দৌড়ে বেড়াচ্ছিলেন তা দেখে খেলোয়াড়দের মনঃসংযোগ করতে সমস্যা হচ্ছিল বলে জানা যায়। ম্যাচের পরে বহু মানুষ ইন্টারনেটে তাঁর নাম সার্চ করতে থাকেন।
কাতালিন আনা কুলকাসার একজন হাঙ্গেরিয়ান ফুটবল রেফারি। ২০০৪ সালের সেপ্টেম্বরে মাল্টা বনাম বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচে তিনিই ছিলেন বাঁশি মুখে। জুনের মহিলা বিশ্বকাপেও দেখা যাবে এই সুন্দরী রেফারিকে।
আইকে/টিকে