উট খাতকে নিয়ন্ত্রণের আওতায় আনা এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে সৌদি আরবের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে উটের জন্য পাসপোর্ট ইস্যুর একটি প্রকল্প চালু করেছে সৌদি আরব। বুধবার সরকারের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়। খবর আনাদোলুর।
সৌদি আরবের পরিবেশ, পানি ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপমন্ত্রী মনসুর বিন হিলাল আল-মুশাইতি আনুষ্ঠানিকভাবে ‘উট পাসপোর্ট প্রকল্প’ উদ্বোধন করেন।
মন্ত্রণালয় জানায়, এই উদ্যোগের মাধ্যমে উট খাতকে সুশৃঙ্খল করা, উটের পরিচয় নথিভুক্ত করা এবং সেবা প্রদানের দক্ষতা বাড়ানো হবে। একই সঙ্গে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে আস্থা বৃদ্ধি পাবে।
প্রকল্পটির আওতায় উটের তথ্য, মালিকানা ও জাত (ব্রিড) রেকর্ড করা হবে এবং সেগুলোকে যাচাইকৃত স্বাস্থ্য ও নিয়ন্ত্রক তথ্যের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। এর ফলে উট পাসপোর্ট একটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত রেফারেন্স নথি হিসেবে ব্যবহৃত হবে, যা আরও কার্যকর সেবা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, উট পাসপোর্টে একটি পূর্ণাঙ্গ পরিচয়পত্র থাকবে। এতে মাইক্রোচিপ নম্বর, পাসপোর্ট নম্বর, উটের নাম, জন্মতারিখ, জাত, লিঙ্গ, রং, জন্মস্থান, পাসপোর্ট ইস্যুর তারিখ ও স্থান উল্লেখ থাকবে। সঠিক শনাক্তকরণের জন্য উটের দুই পাশের ছবিও সংযুক্ত থাকবে।
এছাড়া পাসপোর্টে একটি নির্দিষ্ট টিকাদান সূচি থাকবে, যেখানে পশুচিকিৎসকের নাম, স্বাক্ষর ও সিলসহ ভেটেরিনারি টিকাদান সংক্রান্ত সব তথ্য স্পষ্টভাবে নথিভুক্ত করা হবে।
মন্ত্রণালয় আরো জানায়, এই পাসপোর্ট উটের বিক্রি ও বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং উট বিক্রি, পরিবহন ও সংশ্লিষ্ট সরকারি নথিপত্রের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপে সহায়তা করবে।
মন্ত্রণালয়ের জুন ২০২৫ সালে প্রকাশিত এক শুমারি অনুযায়ী, সৌদি আরবে মোট উটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২ লাখ ৩৫ হাজার ২৯৭টি।
এসকে/এসএন