ভোলার দৌলতখান উপজেলায় বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুফতি ফজলুল করিমের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নির্বাচনী গণসংযোগে নারী কর্মীদের হেনস্থা, প্রচারে বাধা ও ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলা শহরে সংবাদ সম্মেলন করে দৌলতখান উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগ এ অভিযোগ করে। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি মিনারা বেগম।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, আজ সকালে দৌলতখান পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডে গণসংযোগ চলাকালে বিএনপির কর্মী রিপন ও সেলিমের নেতৃত্বে নারী কর্মীদের অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ, হেনস্তা এবং প্রচার কাজে বাধা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সাধারণ ভোটারদের ভয় দেখানো হয়েছে। এ ধরনের ঘটনা শুধু রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধা নয়, বরং গণতান্ত্রিক অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত।
মিনারা বেগম বলেন, এর আগেও দৌলতখান উপজেলার দক্ষিণ জয়নগর, উত্তর জয়নগর, সৈয়দপুর ও ভবানীপুর ইউনিয়নসহ বিভিন্ন এলাকায় বিএনপির চিহ্নিত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নারী হেনস্তার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচিতে হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। নারীর অধিকার নিয়ে কথা বলা দলগুলোর নেতাকর্মীদের দ্বারা নারী হেনস্তার ঘটনা দুঃখজনক ও লজ্জাজনক।
সংবাদ সম্মেলনে তিন দফা দাবি জানান তিনি। দাবিগুলো হলো- নারী হেনস্তার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা,দৌলতখানে সকল প্রার্থীর জন্য সমান ও নিরাপদ গণসংযোগ পরিবেশ নিশ্চিত করা,এবং এ ধরনের বেআইনি কর্মকাণ্ড বন্ধে নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ।
সংবাদ সম্মেলনে দৌলতখান উপজেলা মহিলা জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারি কুমকুম আক্তারসহ মহিলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য এবং উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এবি/টিকে