বাংলাদেশ টাইমস

টানা দ্বিতীয় ম্যাচও বয়কট করলেন পর্তুগিজ সুপারস্টার রোনালদো

শেয়ার করুন:
টানা দ্বিতীয় ম্যাচও বয়কট করলেন পর্তুগিজ সুপারস্টার রোনালদো

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
সৌদি আরবের ক্লাব আল-নাসরে ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা আরো ঘনীভূত হচ্ছে। টানা দ্বিতীয় ম্যাচ বয়কট করলেন পর্তুগিজ সুপারস্টার। তবে তাকে ছাড়াই আল-ইত্তিহাদকে ২-০ গোলে হারায় আল-নাসর।

সৌদি প্রো লিগে শুক্রবার ম্যাচের শেষ দিকে একটি করে গোল করেন সাবেক লিভারপুল ফরোয়ার্ড সাদিও মানে ও ব্রাজিলিয়ান অ্যাটাকার অ্যাঞ্জেলো গ্যাব্রিয়েল। 

তবে এই জয়েও মাঠে দেখা যায়নি রোনালদোকে। এর আগে সোমবার আল রিয়াদের বিপক্ষে ১-০ গোলের জয়েও তিনি দলে ছিলেন না। 



ম্যাচের সপ্তম মিনিটে আল-নাসরের একদল সমর্থক হলুদ রঙের প্ল্যাকার্ড তুলে রোনালদোর নাম ও ৭ নম্বর জার্সি প্রদর্শন করে সমর্থন জানান।তাতেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে, ক্লাবের ভেতরের পরিস্থিতি নিয়ে ভক্তদের মাঝেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

পর্তুগিজ সংবাদমাধ্যম ‘আ বোলা’র খবরে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড (পিআইএফ) যেভাবে ক্লাব পরিচালনা করছে, তাতে অসন্তুষ্ট হয়ে রোনালদো নিজেই খেলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। যদিও সৌদি প্রো লিগ বিবিসি স্পোর্টকে জানিয়েছে, আল নাসরের অগ্রযাত্রায় রোনালদোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হলেও ‘কোনো ব্যক্তি যত বড় তারকা হোক না কেন, নিজের ক্লাবের বাইরে সিদ্ধান্ত নির্ধারণ করতে পারেন না।’

২০২২ সালের ডিসেম্বরে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ছাড়ার পর আল নাসরে যোগ দেন রোনালদো। বছরে প্রায় ১৭৭ মিলিয়ন পাউন্ড বেতনে তিনি ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি বেতন পাওয়া খেলোয়াড়।

ক্লাবটি সেই সময় তার চুক্তিকে আখ্যা দিয়েছিল ‘ইতিহাসের অংশ’। তবে এখন পর্যন্ত সৌদি আরবে তার একমাত্র বড় শিরোপা ২০২৩ সালের আরব ক্লাব চ্যাম্পিয়নস কাপ।

পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই তারকা ২০২৫ সালের জুনে নতুন করে দুই বছরের চুক্তি করেন আল নাসরের সঙ্গে।

বিবিসি স্পোর্ট জানিয়েছে, রোনালদোর হতাশার অন্যতম কারণ সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ সতীর্থ করিম বেনজেমার আল ইত্তিহাদ ছেড়ে আল হিলালে যোগ দেওয়া। চলতি সপ্তাহেই লিগের শীর্ষ দল আল হিলালের হয়ে অভিষেকে হ্যাটট্রিক করেন ৩৮ বছর বয়সী বেনজেমা।

বর্তমানে সমান ২০ ম্যাচ শেষে আল-নাসর ১ পয়েন্ট পিছিয়ে থেকে লিগে দ্বিতীয় স্থানে আছে, আর শীর্ষে রয়েছে আল হিলাল। দুই ক্লাবই সৌদি আরবের পিআইএফের নিয়ন্ত্রণাধীন।

এমআর/এসএন 

মন্তব্য করুন