ক্ষমা চাইবেন না মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে, বর্ণবাদী ভিডিও প্রকাশ করার ঘটনায় ক্ষমা চাইতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন ট্রাম্প। শুক্রবার (৬ জানুয়ারি) তিনি ক্ষমা চাইতে অস্বীকার করেন।
এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও সাবেক ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামাকে জঙ্গলের বানর হিসেবে দেখানো একটি বর্ণবাদী ভিডিও পোস্ট করা হয়। এরপর হোয়াইট হাউজ তা মুছে ফেলে।
এ ঘটনার পর ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেছেন, তিনি ভিডিও’র আপত্তিকর বিষয়বস্তু থাকা অংশটি দেখেননি এবং ভুল করে পোস্ট করায় তার একজন কর্মীকে দোষারোপ করেছেন।
এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের কাছে দেয়া এই ব্যাখ্যার মধ্য দিয়ে ট্রাম্পের প্রথম স্বীকারোক্তি প্রকাশ পায় যে, তিনি নিজেই ভিডিওটির অন্তত কিছু অংশ দেখেছেন।
ভিডিওটি সরানোর পর হোয়াইট হাউস আগে বলেছিল যে, একজন কর্মী ভুল করে এটি পোস্ট করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) রাতে ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছিল - এবং প্রায় ১২ ঘন্টা ধরে অনলাইনে ছিল, এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হলে ১২ ঘণ্টা পর হোয়াইট হাউজ তা সরিয়ে নেয়। তবে ট্রাম্প দাবি করেছেন, তিনি এটি সম্পর্কে জানতে পারার সাথে সাথে ভিডিওটি সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন।
ট্রাম্প বলেন, ভিডিওটির প্রথম অংশ দেখার পর, তিনি এটি একজন কর্মীর কাছে দিয়ে দেন। যিনি বলেছিলেন যে ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখা উচিত ছিল। ‘কেউ একজন খুব ছোট একটি ভুল করেছে।’
এদিকে, যখন সরাসরি জিজ্ঞাসা করা হয় ট্রাম্পকে, তিনি কি রিপাবলিকান পার্টির আহ্বানের মধ্যে ক্ষমা চাইবেন, তখন তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন। বলেন, তিনি কোনো ভুল করেননি।
এ ঘটনায় তার রিপাবলিকান দলের মধ্যেও কেউ কেউ তুমুল সমালোচনা করেছেন।
ট্রাম্পের ট্রুথ সোশ্যাল নেটওয়ার্কে এক মিনিট দৈর্ঘ্যের এই ভিডিওটি শেয়ার করা হয়। এতে ২০২০ সালের নির্বাচনে তার পরাজয় জালিয়াতির কারণে হয়েছিল বলে দাবি করা হয়। ভিডিওটির শেষের দিকে একটি বানরের নৃত্যসংবলিত ক্লিপ দেখানো হয়েছে, যেখানে ওবামার মুখ বসানো ছিল। ক্লিপটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি বলে মনে হয়েছে।
সূত্র: সিএনএন
এমআর/এসএন

