© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ময়লার স্তূপে দাঁড়িয়ে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করলেন এনসিপির প্রার্থী

শেয়ার করুন:
ময়লার স্তূপে দাঁড়িয়ে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করলেন এনসিপির প্রার্থী

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০১:৫৮ পিএম | ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
মৌলভীবাজার-৪ (কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল) আসনের এনসিপি মনোনীত প্রার্থী প্রীতম দাশ (শাপলা কলি) ময়লার স্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শ্রীমঙ্গল কলেজের সামনে ময়লার স্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন। 

নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করার আগে তিনি বলেন, আমি একটু ভিন্নভাবে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছি। এই ময়লার স্তূপ কয়কটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে দীর্ঘদিন ধরে ফেলা হচ্ছে।

নির্বাচনী ইশতেহারে প্রীতম দাশ বলেন, চা শ্রমিক ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ভূমির অধিকার নিশ্চিত করা হবে। তাদের শিক্ষা ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করে জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষণ করে বিশ্বমঞ্চে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্য ও পরিচয় তুলে ধরার ব্যবস্থা করা হবে। হাওর দখলমুক্ত করে সিন্ডিকেট ভেঙে দেয়া, নির্দিষ্ট ফী দিয়ে সবার জন্য উন্মুক্তভাবে মাছ ধরার অধিকার নিশ্চিত করা হবে। শ্রীমঙ্গলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সামনের ময়লার ভাগাড়ের সমস্যা সমাধান করা হবে এবং আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যান্ট তৈরি করা হবে, যাতে বর্জ্য থেকে পুনঃব্যবহারযোগ্য পণ্য ও সার উৎপাদন করা যায়। ড্রেনগুলোকে প্রশস্ত ও আধুনিকায়ন করে পানি ও ময়লার পরিকল্পিত নিষ্কাশন ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে, এতে শহর পরিচ্ছন্ন থাকবে, জলাবদ্ধতা দূর হবে এবং হাওর হবে দূষণমুক্ত ও সুরক্ষিত।

শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করা হবে, চিকিৎসার মান উন্নয়নে ডাক্তার ও নার্স সংখ্যা বৃদ্ধি করা হবে।

শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ পৌরসভাকে বর্ধিত করা হবে এবং শমসেরনগরকে একটি পূর্ণাঙ্গ পৌরসভায় রূপান্তর করা হবে। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে নাগরিক সেবাকে সহজ, দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত রাখা হবে। শহরের যানজট নিরসনে শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জে আধুনিক বাসস্ট্যান্ড ও সিএনজি স্টেশন নির্মাণ করা হবে। কৃষকদের জন্য সার, সেচ ও কৃষি উপকরণ সহজে পাওয়ার ব্যবস্থা করা হবে, আধুনিক ও বহু ফসলি কৃষি ব্যবস্থা চালু করা হবে।

স্থানীয় প্রশাসন তথা চেয়ারম্যান মেম্বারদের স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেওয়া, তাদের কর্মকাণ্ডে হস্তক্ষেপ না করা, তাদের উন্নয়নমূলক কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে।

আরআই/এসএন

মন্তব্য করুন