© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

বিদেশি হস্তক্ষেপ মানবে না হামাস: খালেদ মেশাল

শেয়ার করুন:
বিদেশি হস্তক্ষেপ মানবে না হামাস: খালেদ মেশাল

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৫:৪২ এএম | ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
গাজায় চলমান যুদ্ধবিরতি ও ভবিষ্যৎ শাসনব্যবস্থা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের শর্ত সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন হামাসের শীর্ষ নেতা খালেদ মেশাল। রোববার দোহায় এক সম্মেলনে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, হামাস কখনো অস্ত্র সমর্পণ করবে না এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে কোনো ধরনের ‘বিদেশি শাসন’ বা ম্যান্ডেট মেনে নেওয়া হবে না।

সাবেক এই হামাস প্রধান জোর দিয়ে বলেন, দখলদারিত্ব যত দিন থাকবে, সশস্ত্র প্রতিরোধও তত দিন বজায় থাকবে। তিনি আরও বলেন, “ফিলিস্তিনিরাই ফিলিস্তিন শাসন করবে। আমরা কোনো বাহ্যিক হস্তক্ষেপ বা ছদ্মবেশী ম্যান্ডেট প্রত্যাখ্যান করি।”

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নিরস্ত্রীকরণ দাবির বিপরীতে মেশাল বলেন, প্রতিরোধ যোদ্ধাদের অস্ত্র কোনো অপরাধ নয়, বরং এটি দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে জনগণের বৈধ অধিকার। হামাস নিরস্ত্রীকরণকে তাদের জন্য ‘রেড লাইন’ হিসেবে গণ্য করে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’ এবং ‘গাজা এক্সিকিউটিভ বোর্ড’-এর কার্যক্রম নিয়ে মেশাল সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি এই বোর্ডকে গাজার ২২ লাখ বাসিন্দার জন্য ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণের আহ্বান জানান।

গাজার দৈনন্দিন শাসনভারের জন্য একটি ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাটিক কমিটি গঠন করা হলেও, তাদের অধীনে হামাসের নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়া কীভাবে কার্যকর হবে তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গেছে।

ইসরায়েলি গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে গাজায় হামাসের প্রায় ২০ হাজার যোদ্ধা এবং ৬০ হাজার কালাশনিকভ রাইফেল রয়েছে।

খালেদ মেশালের এই অনড় অবস্থান গাজার যুদ্ধ-পরবর্তী রাজনৈতিক সমাধান এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনার সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এমআর/টিএ 

মন্তব্য করুন