হাদি হত্যার তদন্তে জাতিসংঘের সহযোগিতা লাগাকে সঠিক মনে করি না
ছবি: সংগৃহীত
০১:০৬ পিএম | ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ও সুনামগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী শিশির মনির বলেছেন, ওসমান হাদির বিচারের জন্য জাতিসংঘের সহযোগিতা লাগাটাকে আমি সঠিক মনে করি না।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে শিশির মনিরের দিরাইয়ের নির্বাচনি কার্যালয়ে জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের করা প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ওসমান হাদির বিচারটা একটা স্বতন্ত্র মার্ডার। এক ব্যক্তির মার্ডার। একক ব্যক্তির হত্যার বিচার যদি একটা জাতি করতে না পারে, এর জন্য আবার তৃতীয় পক্ষকে ডেকে আনতে হয়, তাহলে এতে নিজেদেরই দুর্বলতা প্রকাশ পায়। আমি আশা করেছিলাম যে ওসমান হাদির বিচারের এভিডেন্সগুলো খুব দ্রুতই বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জোগার করতে পারবে।
এখানে জাতিসংঘ বাহিনীকে আমন্ত্রণ জানিয়ে কী আশা করা হচ্ছে তা আমার কাছে ক্লিয়ার না। আমি মনে করি, দিস ইজ নট টু গুড ওয়ে। গুড ওয়ে হল বাংলাদেশের ইন্টারনাল মেকানিজমে একটা মার্ডার কেইসের বিচার করার সক্ষমতা একটা দেশের থাকা উচিত। যদি না থাকে তাহলে দেশের জন্য এটা কোনো ভালো সংবাদ বয়ে নিয়ে আসবে না।
সাংবাদিকদের ওপর হামলার ব্যাপারে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সাংবাদিকদের উপর আক্রমণ করেছে আমি দেখেছি। প্রথম কথা হল, নির্বাচনের মাত্র কয়েক দিন বাকি আছে- এ সময়ে প্রধান উপদেষ্টার অফিসকে ঘেরাও করার কর্মসূচিটা আমি ভালো চোখে দেখছি না। আমি ব্যক্তিগতভাবে এটাকে সঠিক মনে করি না। একটা নির্বাচন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হওয়ার ঠিক অব্যবহিত পূর্বে এ ধরনের প্রক্রিয়া নির্বাচন করার প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করার রাস্তা ওপেন করে দিবে। ফলশ্রুতিতে ওইটা যেমন তাদের করা উচিত হয় নাই আবার তাদেরকে আক্রমণ করাও উচিত হয় নাই। কেউ যদি এরকম করে থাকে তাদেরকে বুঝিয়ে আলোচনার ভিত্তিতে সমাধান করা উচিত ছিল। ফোর্স ব্যবহার করা উচিত না।
তিনি আরও বলেন, ঐদিনকার কর্মকাণ্ড দেখে মনে হয়েছে যে ৫ আগস্টের পরে সম্ভবত বাংলাদেশের পুলিশের এখনো কোন শিক্ষা হয় নাই। তাদের এমন অবস্থান থেকে এভাবে জনগণকে নিয়ন্ত্রণ করার প্রয়োজন নাই। আরও টেকনিক ব্যবহার করে কনভেন্সিং ওয়েতে নিয়ন্ত্রণ করা উচিত। এভাবে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে তো জনগণকে ঠেকানো যায় না। দিস ইজ ব্যাড ওয়ে। গুড ওয়ে হল, আলোচনা করে সমাধান বের করতে হবে। কনভিন্স করতে না পারলে একবারের জায়গায় তিনবার আলোচনা হবে। তাই বলে কারও গায়ে আঘাত দেওয়াটা কোন যুক্তিসঙ্গত কথা হতে পারে না।
এসএন