আমরা কি আদিম যুগে ফিরে যাচ্ছি: কেন্দ্রে মোবাইল প্রসঙ্গে হিরো আলম
ছবি: সংগৃহীত
০৫:৩১ পিএম | ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ সিদ্ধান্ত ঘিরে নানা আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে মন্তব্য করেছেন আলোচিত ব্যক্তি ও সাবেক সংসদ প্রার্থী হিরো আলম।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) নিজের ফেসবুক পোস্টে হিরো আলম লেখেন, ‘ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নেওয়া যাবে না-এ কেমন কথা? আমরা কি আদিম যুগে ফিরে যাচ্ছি?’ তার এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে।
পোস্টের কমেন্ট বক্সে বিভিন্নজন ভিন্ন ভিন্ন মত প্রকাশ করেন। একজন মন্তব্য করেন, ‘ঝামেলা আছে ভাই, অন্য কোনো পরিকল্পনা চলছে।’ আরেকজন লেখেন, ‘মোবাইল নিয়ে গেলে যদি চাঁদাবাজ-ধান্দাবাজদের ভিডিও করে ফেলে এ কারণেই হয়তো নিষেধাজ্ঞা।’
এ বিষয়ে হিরো আলম বলেন, একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে। তিনি বলেন, ‘স্বাধীনভাবে ভোট দেখার সুযোগ থাকতে হবে, যাতে এই নির্বাচন নিয়ে ভবিষ্যতে কোনো প্রশ্ন না ওঠে।’

উল্লেখ্য, উচ্চ আদালত থেকে আপিলে রায় পেলেও শেষ পর্যন্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান হিরো আলম। এরপর নির্বাচন নিয়ে তিনি আর প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি। বর্তমানে তিনি ব্যক্তিগত কাজ নিয়েই ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।
এর আগে ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বগুড়া থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন হিরো আলম। যাচাই-বাছাইয়ে প্রার্থিতা বাতিল হলেও আদালতের আদেশে তা ফিরে পান এবং ‘সিংহ’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তবে ভোটের দিন কারচুপির অভিযোগ তুলে তিনি নির্বাচন বর্জন করেন।
পরে ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য ও অভিনেতা আকবর হোসেন পাঠান ফারুকের মৃত্যুর পর অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনেও অংশ নেন তিনি। ওই নির্বাচনে ভোটের দিন এক কেন্দ্রে তার ওপর হামলার ঘটনাও ঘটে।
উল্লেখ্য, ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের দিন সাংবাদিক ও নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা ভোটকেন্দ্রের ভেতরে মোবাইল ফোন বহন করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। আজ সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ফলাফল বুথ পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
এমআই/টিকে