নেতাজি ইন্ডোরে অনুষ্কা আর অরিজিৎ-এর যুগলবন্দি সঙ্গীতজগতকে নবযুগের দিশা দেখাল: তন্ময় বসু
ছবি: সংগৃহীত
০৯:৪০ এএম | ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
নেতাজি ইন্ডোরের মঞ্চ রবিবার সন্ধ্যায় আলোর ঝলকানি আর সুরের আবহে ভরে উঠেছিল অনুষ্কা শঙ্কর ও অরিজিৎ সিংহের যুগলবন্দিতে। পণ্ডিত রবিশঙ্করের কন্যা অনুষ্কা, যিনি দীর্ঘদিন ধরে সেতারশিল্পী হিসেবে খ্যাত, কলকাতা দর্শকদের সামনে এক স্বতন্ত্র শিল্পীর পরিচয় উপহার দিলেন। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন শিল্পী তন্ময় বসু, যিনি তাঁর অভিজ্ঞতা ভাগ করে জানিয়েছেন, রবিবারের অনুষ্ঠান ছিল যেন অনুষ্কার সঙ্গীতজীবনের পূর্ণতার উদ্যাপন।
অনুষ্কার সঙ্গে তন্ময় বসুর বহু বছরের সম্পর্ক, ছোটবেলা থেকে একসঙ্গে অনুষ্ঠান করার স্মৃতি। তবে এই অনুষ্ঠানে দেখা গেছে, তিনি কেবল পণ্ডিতজির কন্যা হিসেবে নয়, বরং এক স্বতন্ত্র ধারার আহ্বায়ক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তাঁর সুরে ইলেকট্রনিক মিউজিকের ছোঁয়া, নিজের সৃষ্ট সুর ও ভাবনাকে মেলানো সব মিলিয়ে নতুন যুগের সঙ্গীতের বার্তা বহন করছিল।

অরিজিৎ সিং-এর যোগদান অনুষ্ঠানকে আরও সম্পূর্ণতা দিয়েছে। তিনি পণ্ডিতজির কম্পোজিশনের গান ‘মায়া ভরা রাতে’ এবং আরও কিছু সরগম পরিবেশন করেন, নিজের ভঙ্গি এবং শিল্পী হিসেবে অভিজ্ঞান যুক্ত করে। দু’জনের যুগলবন্দি সমসাময়িক ও ঐতিহ্যবাহী সঙ্গীতের সংমিশ্রণ হিসেবে দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। অনুষ্ঠানে কলকাতার সঙ্গীতপ্রেমী, পণ্ডিতজির ছাত্রছাত্রী ও অন্যান্য শিল্পীরাও উপস্থিত ছিলেন, এবং তাদের উচ্ছ্বাস পুরো পরিবেশে ছড়িয়ে পড়েছিল।

অনুষ্কার সঙ্গীতের ধারাবাহিকতা, নিজের সৃষ্টিতে স্বাধীনতা এবং অরিজিতের গায়কিতে নতুন মাত্রা সব মিলিয়ে রবিবারের অনুষ্ঠান প্রমাণ করেছে, বাংলা ও ভারতীয় সঙ্গীতজগতের নতুন প্রজন্মের জন্য এই যুগলবন্দি এক দিশারী।
পিআর/টিকে