ভারত ও পাকিস্তানের টেস্ট সিরিজ দেখতে চান মাইকেল ভন
ছবি: সংগৃহীত
০৮:৪০ পিএম | ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
এর আগেও এ নিয়ে আলোচনা এগিয়েছিল অনেক দূর। সেবার ভারত-পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ আয়োজনের আগ্রহও প্রকাশ করেছিল অস্ট্রেলিয়া। তবে শেষ পর্যন্ত সফলতার মুখ দেখেনি। কিন্তু আবারও ভারত-পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ আয়োজনের আলোচনা তুললেন মাইকেল ভন। ইংল্যান্ডের সাবেক এই অধিনায়ক মনে করেন, ভারত-পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক টেস্ট সিরিজের জন্য যুক্তরাজ্য হতে পারে দারুণ জায়গা।
রাজনৈতিক বৈরিতার কারণে এক যুগেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ আছে ভারত-পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ। এই দুই দেশের মাঠের লড়াই দেখতে ক্রিকেটপ্রেমীদের তাকিয়ে থাকতে হয় কেবল আইসিসি ও এসিসির টুর্নামেন্টের দিকে।

সবশেষ ২০১৩ সালে ভারত-পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে সেবার ভারত সফর করেছিল পাকিস্তান। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত আর কোনো দ্বিপাক্ষিক সিরিজ হয়নি এই দুই দেশের মধ্যে।
এই দুই দেশের টেস্ট সিরিজ হয়েছিল প্রায় দুই দশক আগে। ২০০৭ সালে টেস্ট সিরিজ খেলতে ভারতে গিয়েছিল পাকিস্তান। গত দুই দশকের মধ্যে সাদা বলের ক্রিকেট খেলতে ২০০৮ সালে পাকিস্তান সফর করেছিল ভারত। এর আগে ২০০৬ সালে টেস্ট সিরিজ খেলতে পাকিস্তান সফর করেছিল ভারত।
মাঝে এ নিয়ে আলোচনাও হয়েছে কয়েকবার। কয়েক বছরের জন্য কয়েকটি সিরিজের চুক্তি হলেও সেগুলো আর আলোর মুখ দেখেনি। তবে আইসিসির টুর্নামেন্টের পাশাপাশি ভারত-পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ দেখতে মুখিয়ে আছেন ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক মাইকেল ভন।
এ বিষয়ে ভন বলেন, ‘এটা প্রতিযোগিতাটি ও ক্রিকেটের জন্য দারুণ সিদ্ধান্ত। যেভাবে হোক শিগগিরই তাদের মধ্যে একটি টেস্ট সিরিজ খেলার ব্যবস্থা করতে হবে... তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজের জন্য যুক্তরাজ্য হতে পারে দারুণ জায়গা।’
বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ায় ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পাকিস্তান। তবে আইসিসি, পিসিবি ও বিসিবির এক বৈঠকের পর ভারতের বিপক্ষে খেলতে রাজি হয় পাকিস্তান। ফলে ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত সময়েই মাঠে গড়াচ্ছে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ।
এ বিষয়ে পাকিস্তানের সাবেক তারকা ক্রিকেটার শহীদ আফ্রিদি বলেছেন, ‘ক্রিকেটীয় চেতনা জয়ী হয়েছে। অংশগ্রহণের (ভারতের বিপক্ষে) সিদ্ধান্ত নিয়ে পাকিস্তান সরকার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পবিত্রতা রক্ষা করেছে এবং বিশ্বব্যাপী খেলাটির স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করেছে। ক্রিকেট জিতেছে, যার মানে বিস্তৃত বিভাজন দূর করতে এটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাবে।’
এমআর/এসএন