© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

গাজীপুরে ভোটকেন্দ্র পর্যবেক্ষণে ‘সেন্ট্রাল মনিটরিং সেল’ স্থাপন

শেয়ার করুন:
গাজীপুরে ভোটকেন্দ্র পর্যবেক্ষণে ‘সেন্ট্রাল মনিটরিং সেল’ স্থাপন

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৯:৪৫ পিএম | ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ এবং ভোটারদের মধ্যে আস্থা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে গাজীপুরের সকল ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন সম্পন্ন হয়েছে।

যে কোনো ধরনের অনিয়ম রোধ এবং অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তাৎক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে একটি আধুনিক ‘সেন্ট্রাল মনিটরিং সেল’ স্থাপন করা হয়েছে।

গাজীপুর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলম হোসেনের নির্দেশনায় এই বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

গাজীপুর মহানগরী ও জেলা এলাকায় ৫টি নির্বাচনী আসনে সর্বমোট ৯৩৫টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে। ইতিমধ্যে সকল ভোট কেন্দ্রে ‍সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে স্থাপিত মনিটরিং সেল থেকে জেলার প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের ভেতরে ও বাইরে সিসিটিভির মাধ্যমে সরাসরি নজরদারি করা হবে। ভোটগ্রহণ চলাকালে কোনো কেন্দ্রে অনিয়ম বা দুর্বৃত্তায়নের চেষ্টা হলে এই মনিটরিং সেলের মাধ্যমে তা শনাক্ত করে দ্রুততম সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে।

গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (মানবসম্পদ ও উন্নয়ন) তানিয়া তাবাসসুম জানfন, এই মনিটরিং সেলটি বুধবার দুপুর ১২টায় স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের সেলটি সরেজমিনে পরিদর্শনের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণের অনুমতিপ্রাপ্ত সাংবাদিকরা সরাসরি এই সেল পরিদর্শন করতে পারবেন এবং এসময় সেখানে উপস্থিত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে এর কার্যকারিতা সম্পর্কে অবহিত হতে পারবেন। এসময় সেখানে জেলা প্রশাসকের উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক তানিয়া তাবাসসুম আরও জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসন ও রিটার্নিং কর্মকর্তা বদ্ধপরিকর। প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থাপন এবং কেন্দ্রীয়ভাবে তা মনিটর করার মাধ্যমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে। ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি এবং কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ডিজিটাল এই নজরদারি ব্যবস্থার ফলে নির্বাচনে পেশিশক্তির ব্যবহার ও ভোট জালিয়াতির সুযোগ কমে আসবে এবং সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আস্থা তৈরি হবে।

এসকে/এসএন

মন্তব্য করুন