উদিত নারায়ণের বিরুদ্ধে প্রথম স্ত্রীর বিস্ফোরক অভিযোগ
ছবি: সংগৃহীত
০৯:৫২ এএম | ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
জনপ্রিয় প্লেব্যাক সংগীতশিল্পী উদিত নারায়ণ–এর ব্যক্তিগত জীবন ঘিরে আবারও তোলপাড় শুরু হয়েছে বিনোদন অঙ্গনে। কিছুদিন আগেই এক চুম্বন বিতর্কে নাম জড়িয়ে ব্যাপক আলোচনায় এসেছিলেন তিনি। সেই আলোচনা থামার আগেই এবার তার বিরুদ্ধে গুরুতর ও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ এনে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন প্রথম স্ত্রী রঞ্জনা নারায়ণ ঝা।
রঞ্জনার দায়ের করা অভিযোগে কেবল উদিত নারায়ণই নন, তার দুই দাদা সঞ্জয় কুমার ঝা ও ললিত নারায়ণ ঝা এবং দ্বিতীয় স্ত্রী দীপা নারায়ণ ঝা–কেও অভিযুক্ত করা হয়েছে। গত ১০ ফেব্রুয়ারি জমা দেওয়া অভিযোগপত্রে তিনি যে দাবি উত্থাপন করেছেন, তা নিয়ে ইতোমধ্যে বিনোদন জগতে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
অভিযোগপত্রে রঞ্জনা ঝা উল্লেখ করেন, অসুস্থতার চিকিৎসার কথা বলে তাকে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে তার অজান্তে এবং সম্মতি ছাড়াই অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে জরায়ু অপসারণ করা হয় বলে তিনি দাবি করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এই ঘটনার পেছনে উদিত নারায়ণের পাশাপাশি দ্বিতীয় স্ত্রী দীপাও সরাসরি জড়িত ছিলেন। দীর্ঘ সময় পর শারীরিক জটিলতা দেখা দিলে চিকিৎসকের কাছে গেলে পরীক্ষার মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, তার শরীরে জরায়ু নেই।

৬১ বছর বয়সী রঞ্জনা আরও অভিযোগ করেন, ১৯৮৪ সালের ৭ ডিসেম্বর বিহারের সুপৌল জেলায় উদিত নারায়ণের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের পরের বছরই তাকে রেখে কর্মজীবন গড়তে মুম্বইয়ে চলে যান এই সংগীতশিল্পী। পরবর্তীতে তাকে আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদ না দিয়েই দ্বিতীয় বিয়ে করেন বলেও দাবি তার।
রঞ্জনার বক্তব্য অনুযায়ী, শুরুতে দুই স্ত্রীর মধ্যে সমতা বজায় রাখার চেষ্টা থাকলেও ২০০৬ সালের পর পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটে। মুম্বইয়ে ফিরে যাওয়ার পর তার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয় এবং একপর্যায়ে তাকে বাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়। এসব অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিনোদন অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় বইছে।
এমকে/টিএ