© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ঝিনাইদহে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা, আহত ২৫

শেয়ার করুন:
ঝিনাইদহে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা, আহত ২৫

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৭:৪০ পিএম | ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় ঝিনাইদহের বিভিন্ন স্থানে অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। ভাঙচুর করা হয়েছে এক স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয়। আজ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত সদর ও কালীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এসব সহিংসতা হয়। 

আহতদের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, জেলা সদর হাসপাতাল ও যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা রয়েছে।

শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে কালীগঞ্জ শহরের নীমতলা বাসস্ট্যান্ড এলাকার বাজার রোডে অবস্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের কাপ-পিরিচ প্রতীকের নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী রাশেদ খানের সমর্থকদের বিরুদ্ধে। এ সময় খোকন, ইভন ও জবেদ আলী নামের তিন বিএনপি নেতাকে পিটিয়ে আহত করা হয়। 

আহত জবেদ আলী কালীগঞ্জ পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক। তাঁকে যশোর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

একই সময় ঝিনাইদহ সদর উপজেলার নলডঙ্গা ইউনিয়নের ভিটশ্বর গ্রামে ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থকদের সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়। এতে আকরাম হোসেন, ফজলুর রহমান, ফারুক হোসেন, নজরুল ইসলাম ও জাফর উদ্দীনসহ আটজন আহত হন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো  হয়েছে।

অপরদিকে, একই ইউনিয়নের খড়াশুনি গ্রামে কাপ-পিরিচ প্রতীকের সমর্থক কওসার বিশ্বাসের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। কালীগঞ্জের পারখিদ্দা গ্রামে স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী রাসেলকে স্থানীয় মাজেদের লোকজন মারধর করেছে বলে জানা গেছে।

এর আগে সকালে কালীগঞ্জ উপজেলার কোলা বাজারের খালকুলা গ্রামে ধানের শীষ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে ধানের শীষের সমর্থক রবিউল শেখ এবং কাপ-পিরিচ প্রতীকের সমর্থক মোশারেফ শেখ, ইব্রাহিম শেখসহ ছয়জন আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

ঝিনাইদহ-৪ আসনে পরাজিত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ বলেন, স্থানীয় প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করছে না। বিভিন্ন উপজেলায় তার সমর্থকদের মারধর করা হলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

এ ব্যাপারে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ মো. বিল্লাহ হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশসহ যৌথ বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এমআই/টিএ

মন্তব্য করুন