কেন ভেঙেছিল মিঠুন চক্রবর্তী ও মমতার বিয়ে?
ছবি: সংগৃহীত
১০:১১ পিএম | ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
বর্ষীয়ান অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী মমতা শঙ্কর এবং অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী একটা সময় দুজনেই জীবনে অনেকখানি এগিয়ে গিয়েছিলেন। সেই সময় ঘর বাধার কথা ছিল এ তারকা জুটির।
এমনকি দুজনের বিয়ের কথাও পাকা হয়ে গিয়েছিল। আর ঠিক হয়ে গিয়েছিল বিয়ের দিন-তারিখও। তবে আচমকাই শেষ মুহূর্তে এসে তা ভেঙে যায়। কী কারণ ছিল এর পেছনে?
আসলে অভিনেত্রীর সঙ্গে তার বর্তমান স্বামীর প্রেমপর্ব যখন চলছিল, ঠিক তখনই জীবনে আসে মিঠুন চক্রবর্তী। নিবেদিতা অনলাইনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বর্ষীয়ান অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী মমতা শঙ্কর কেন সাতপাকে ঘোরা হয়নি, জানালেন সেই কথা।
এ বর্ষীয়ান অভিনেত্রী বলেন, ‘বাপিদার (চন্দ্রদয় ঘোষ) সঙ্গে আমার তখন বিয়ের কথা চলছিল। এরপর মৃগয়ার শুটে আলাপ মিঠুনের সঙ্গে। বাপিদার সঙ্গেও মিঠুনের আলাপ করিয়েছিলাম আউটডোর শুটে যাওয়ার আগে। সেটে যে কোথা থেকে কী হয়ে গেল বুঝিনি। আমি অনেক কষ্টে নিজেকে ধরে রাখার চেষ্টা করেছিলাম যে, বাপিদাকে আমি ঠকাব না। কিন্তু কীভাবে কী হয়ে গেল বুঝতে পারিনি।

কিন্তু প্রেম পেল না পরিণতি। মমতা শঙ্কর বলেন, মিঠুনের বাড়ির লোকের সঙ্গেও তার খুব ভালো সম্পর্ক ছিল। অভিনেতার বোনেরা সবসময় খোঁজখবর নিতেন হবু বৌদির। তবে এত কিছুর পরও মিঠুনই বেঁকে বসেন বিয়ে থেকে। বিয়ের পিঁড়িতে বসতে রাজি হননি। আরও কিছুটা সময় চেয়েছিলেন। সদ্য হিট আসতে শুরু করেছিল তার ক্যারিয়ারে। সেসব জলাঞ্জলি দিয়ে ছাদনাতলায় তখনই যাওয়ার ইচ্ছা ছিল না তার। শুধু তাই নয়, বম্বেতে (অধুনা মুম্বাই) একাধিক নারীর সঙ্গে নাম জড়াতে থাকে মিঠুন চক্রবর্তীর। সব মিলিয়েই পুরোনো প্রেমিক। অর্থাৎ বর্তমান স্বামী বাপিদা ওরফে চন্দ্রদয় ঘোষের কাছেই ফিরে যান তিনি।
কয়েক দিন পর ফোন করেছিলেন হবু শাশুড়ি। ফোন করে জানালেন তার ছেলের সঙ্গে কথা বলতে। অভিনেত্রী মমতা শঙ্কর বলেন, ও ফোনটা ধরে এমন করে কথা বলা শুরু করল যেন, আমাদের মধ্যে কিছুই হয়নি। আমি তো ওর গলা শুনে কেঁদে অস্থির। মিঠুন আমাকে বলল- মমতা আই হেট টিয়ার্স! আমি কথা বলার মতো অবস্থায় ছিলাম না। ফোন রাখতে চাইল, বলল-কথা দাও ফোন করবে। তবে কাল না পরশু ফোন কর। এরপর নিজেই বলল- কাল একটা মেয়ে দেখতে যাচ্ছি। আমার জন্য নয়, বন্ধুর। আর আমি প্রশ্ন করলাম- তোমার জন্য দেখবে কবে? ওপাশ থেকে উত্তর এলো- আমি তো সেই কবেই দেখে রেখেছি।
এমকে/টিকে