© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

বাংলাদেশে ‘নতুন চাঁদ’ দেখার অনুকূল সময় নিয়ে পর্যবেক্ষকদের মন্তব্য

শেয়ার করুন:
বাংলাদেশে ‘নতুন চাঁদ’ দেখার অনুকূল সময় নিয়ে পর্যবেক্ষকদের মন্তব্য

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১১:২৪ এএম | ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
জ্যোতির্বিজ্ঞান পর্যবেক্ষকেরা জানিয়েছেন, আগামী বুধবার বাংলাদেশে চাঁদ দেখার অনুকূল সময় প্রায় ৫০ মিনিট। ওই দিন সূর্যাস্তের পর প্রায় ৫০ থেকে ৫১ মিনিট চাঁদ পশ্চিম আকাশে অবস্থান করতে পারে। যা খালি চোখে চাঁদ দেখার জন্য তুলনামূলকভাবে অনুকূল সময়।

রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) আবহাওয়া পর্যবেক্ষণে কাজ করা বেসরকারি সংস্থা বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিমের (বিডব্লিউওটি) পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সময় রাতে নতুন চাঁদ সৃষ্টি হবে। তবে নতুন চাঁদ সৃষ্টি হওয়ার দিন সাধারণত খালি চোখে চাঁদ দেখা যায় না। কারণ, চাঁদ দেখার জন্য তার বয়স সাধারণত কমপক্ষে ১২ থেকে ১৮ ঘণ্টা (অনুকূল পরিস্থিতিতে) হওয়া প্রয়োজন এবং সূর্যাস্তের পর কিছু সময় দিগন্তের উপরে অবস্থান করতে হয়।

এমন অবস্থায় মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে পৃথিবীর অধিকাংশ স্থানেই খালি চোখে চাঁদ দেখার সম্ভাবনা খুবই কম। তবে উন্নত টেলিস্কোপ ও বিশেষ অপটিক্যাল সহায়তায় কিছু অঞ্চলে চাঁদ পর্যবেক্ষণের চেষ্টা হতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে অত্যাধুনিক টেলিস্কোপ ব্যবহার করে চাঁদ দেখার উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে। তারা যদি চাঁদ দেখতে সক্ষম হয়, তাহলে বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই রোজা শুরু হতে পারে। আর চাঁদ দেখা না গেলে বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) থেকে রোজা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।

বিডব্লিউওটি আরও জানিয়েছে, বাংলাদেশে ১৮ ফেব্রুয়ারি সূর্যাস্ত হবে প্রায় সন্ধ্যা ৫টা ৫৮ মিনিটে এবং চাঁদাস্ত হবে প্রায় সন্ধ্যা ৬টা ৪৯ মিনিটে। অর্থাৎ সূর্যাস্তের পর চাঁদ প্রায় ৫০ থেকে ৫১ মিনিট আকাশে অবস্থান করবে। এ সময় চাঁদের বয়স প্রায় ২৪ ঘণ্টা অতিক্রম করবে, যা খালি চোখে চাঁদ দেখার জন্য তুলনামূলকভাবে অনুকূল বলে মনে করা হচ্ছে। তবে চাঁদ দেখা সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করবে আকাশের স্বচ্ছতা, দিগন্তে মেঘের উপস্থিতি, বায়ুদূষণের মাত্রা এবং পর্যবেক্ষকের ভৌগোলিক অবস্থানের ওপর।

গত বছর মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের একই দিনে ঈদ উদযাপিত হয়। এবছরও জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী সময়ের ব্যবধান তুলনামূলকভাবে কম থাকায় ‘ক্লোজ কল’ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

টিজে/টিকে  

মন্তব্য করুন