© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

মরিনিয়োই কী ভিনিকে উল্টো দুষলেন!

শেয়ার করুন:
মরিনিয়োই কী ভিনিকে উল্টো দুষলেন!

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১০:৫৮ পিএম | ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
বর্ণবাদী মন্তব্যের অভিযোগ ঘিরে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও জিয়ানলুকা প্রেস্তিয়ান্নি–সংক্রান্ত ঘটনার আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা চলছে বলে জানিয়েছে উয়েফা। মঙ্গলবার রাতে রিয়াল মাদ্রিদ ও বেনফিকার চ্যাম্পিয়নস লিগ প্লে- অফ ম্যাচে এই বিতর্কের সূত্রপাত হয়।

বর্ণবাদের অভিযোগকারী ও অভিযুক্ত- দুজনের সঙ্গেই কথা বলেছেন বেনফিকা কোচ হসে মরিনিয়ো। তবে ভিনি কিংবা প্রেস্তিয়ান্নি- কারও বক্তব্যেই পুরোপুরি আশ্বস্ত হননি তিনি। উল্টো ভিনিকেই দুষেছেন মরিনিয়ো। তার মতে, রিয়াল মাদ্রিদ তারকার উচিত হয়নি স্টেডিয়ামে উপস্থিত প্রায় ৬০ হাজার দর্শকের সঙ্গে ঝামেলায় জড়ানো।

বেনফিকার বিপক্ষে গোল করার পর কর্নার স্ট্যান্ডের কাছে গিয়ে কোমর দুলিয়ে নেচে উদযাপন করেন ভিনি। ওই উদযাপনের পরই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। কার্ড দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ভিনি। এরপরই বর্ণবাদের অভিযোগের ঘটনার সূত্রপাত হয়। নিয়ম অনুযায়ী প্রায় ১১ মিনিট খেলা বন্ধ থাকে।

ঘটনার সময়ের টেলিভিশন ফুটেজে দেখা যায়, জার্সি দিয়ে মুখ ঢেকে কিছু একটা বলছেন প্রেস্তিয়ান্নি। সেই কথা শুনেই ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন ভিনি ও তার সতীর্থরা। ম্যাচ শেষে এমবাপে দাবি করেন, জার্সি দিয়ে মুখ ঢেকে প্রেস্তিয়ান্নি ভিনিকে পাঁচবার ‘বানর’ বলেছেন।



ম্যাচের পর বেনফিকার কোচ মরিনিয়ো বলেন, “আমি দুজনের সঙ্গেই কথা বলেছি। দুজন ভিন্নরকম কথা বলছে। আমি বলছি না যে প্রেস্তিয়ান্নিকে শতভাগ সমর্থন করছি, আবার এটাও বলতে পারছি না যে ভিনিসিয়ুস আমাকে পুরো সত্য বলেছে। আমি নিশ্চিত নই।”

তিনি আরও বলেন, “ওই গোল পর্যন্ত সবকিছুই ঠিক ছিল। দারুণ একটি ম্যাচ হচ্ছিল। বেনফিকা ভালো শুরু করেছিল, রিয়াল মাদ্রিদও ছিল শক্তিশালী। ভিনিসিয়ুস যে গোলটি করেছে, সেটা কেবল সে আর এমবাপেই করতে পারে। কিন্তু গোলের পর তার উচিত ছিল সতীর্থদের দিকে ছুটে যাওয়া, সতীর্থদের কাঁধে ঝাঁপিয়ে পড়া। ৬০ হাজার দর্শকের সঙ্গে ঝামেলায় জড়ানোর কোনো প্রয়োজন ছিল না।”

ম্যাচের শেষ দিকে মরিনিয়ো লাল কার্ড দেখেন। ফলে পরের ম্যাচে রিয়ালের মাঠে তিনি ডাগআউটে থাকতে পারবেন না। এ প্রসঙ্গে বেনফিকা কোচ বলেন, “আমাকে বের করে দেওয়া হয়েছে- এর কারণ আমি বুঝি। রেফারির কাছে একটি কাগজ ছিল, যেখানে লেখা ছিল চুয়ামেনি, কাররেরাস ও হুইসেনকে হলুদ কার্ড দেওয়া যাবে না। সে চুয়ামেনি বা কাররেরাসকে কার্ড দেখায়নি। আমি প্রায় ১৪০০ ম্যাচ ডাগআউটে কাটিয়েছি- আমি জানি এসব কীভাবে হয়। সে জানত কাকে কার্ড দেখাতে হবে, কাকে নয়। আমরা সবাই জানি, সবকিছু কীভাবে চলে।”

এসকে/টিএ

মন্তব্য করুন