বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়াতে হবে : অর্থমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত
০১:২৭ পিএম | ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, চট্টগ্রাম পোর্টের কার্যক্রম আরো উন্নততর করতে হবে। বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। কর্মসংস্থান বাড়াতে হবে। বিনিয়োগের মাধ্যমেই তো বাণিজ্যিক রাজধানী হবে।
আমাদেরকে সেদিকে হাঁটতে হবে।
অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওযার পর প্রথমবারের শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে প্রথম বারের মতো নিজ জেলা চট্টগ্রামে আসেন তিনি। চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
বিমানবন্দরে চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, নগর বিএনপির আহ্বায়ক ও সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও পটিয়া আসনের সংসদ সদস্য এনামুলহ এনাম, চট্টগ্রামের ডিসি জাহিদুল ইসলাম মিঞা, নগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাইফুল আলমসহ নগর, উত্তর, দক্ষিন জেলা বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদলসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরুকে স্বাগত জানান।
অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম চট্টগ্রামে আসার অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ভালো লাগছে। আমরা গণতান্ত্রিক পরিবেশে ফিরে এসেছি। একটি নির্বাচিত সংসদ, সরকার হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা, প্রত্যাশা পূরণে আমাদের সবাইকে মিলে কাজ করতে হবে।
চট্টগ্রামের উন্নয়নে কাজ করতে হবে।’
এক প্রশ্নের উত্তরে খসরু বলেন, ‘অনেক পরিকল্পনা আছে। এগুলো তো এক কথায় বলা যাবে না। সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে কর্মসংস্থান। আমরা প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ধাপে ধাপে সব কাজ করব।
চট্টগ্রাম এসে তিনি নগরের আকবরশাহ থানার উত্তর কাট্টলীর নাজির বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে মা-বাবার কবর জিয়ারত এবং নগরের কদমতলী মাদারবাড়ী জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করার কথা রয়েছে।
দুপুরের পর নগরের মেহেদিবাগে নিজ বাসভবনে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও কুশল বিনিময় করবেন অর্থমন্ত্রী। একই স্থানে বিকেলে তিনটায় চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম গতিশীল করার লক্ষ্যে বন্দর সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হবে। পরে রাত আটটা ২৫ মিনিটে চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরে একটি ফ্লাইটে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন অর্থমন্ত্রী।
এমকে/এসএন