© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ফুল দেওয়ার পর বক্তব্য দিতে না দেওয়ায় ইউএনওর সঙ্গে বাকবিতণ্ডা

শেয়ার করুন:
ফুল দেওয়ার পর বক্তব্য দিতে না দেওয়ায় ইউএনওর সঙ্গে বাকবিতণ্ডা

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৫:৪৮ পিএম | ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
নীলফামারীর জলঢাকায় শহিদ মিনারে ফুল দেওয়ার পর বক্তব্য দিতে না দেওয়ায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিনের সঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি নেতাকর্মীদের বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) প্রথম প্রহরে জলঢাকা কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে এ ঘটনা ঘটে।   

একটি ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, শহিদ মিনারে ফুল দেওয়া শেষ করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সেখানে উপস্থিত রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের মানুষ নিরবতা পালনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এসময়ে বিএনপির কয়েকজন নেতা সেখানে বক্তব্য দিতে চাইলে ইউএনও বক্তব্য দিতে নিষেধ করেন।  

পরে সেখানে উপস্থিত স্বেচ্ছাসেবক দলের পৌর কমিটির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আবু তোরাব আহমেদ ইমন বলেন, এখানে সাবেক বিএনপির সভাপতি দাঁড়িয়েছে বক্তব্য দিতে দেওয়া হয়নি। এখানে এখনো আওয়ামী লীগ আছে এটা ছাব্বিশের বাংলাদেশ এখন তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী দেশের। 

ভিডিওতে আরও দেখা যায় ইউএনও জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিন বলেন, এখানে আলোচনা সভার কিছু নাই এখানে কখনো আলোচনা হয় না। যে কর্মসূচি গৃহীত হয়েছে সেটা আলোচনা করে করা হয়েছে এককভাবে উপজেলা প্রশাসন গ্রহণ করে নাই। আমরা প্রস্তুতিমূলক সভা করে সবাইকে মিলে এ কর্মসূচি নিয়েছি। বলা আছে শহিদ মিনারে ফুল দেওয়া নিরবতা পালন ও দোয়া এখানে কোনো ধরনের বক্তব্যের কিছু নাই। আলোচনা সভা কালকে হবে সেখানে আপনারা যারা উপস্থিত থাকবেন তারা বক্তব্য দেবেন। 

এ বিষয়ে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক লেলিন বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমি এতকিছু জানি না। সেখানে ইউএনও মহোদয় সামান্য এক মিনিট কথা বলেছেন। এসময়ে তারা মনে করছেন আমাদের লোকজনকে মনে হয় কথা বলতে দিচ্ছে না এটা সামান্য বিষয়। 

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিন বলেন, এটা তেমন কোনো ঘটনা না। অনেকে মনে করেছিল আমরা বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পেলাম না। পরে এটা নিয়ে ওনাদের একটু মন খারাপ ছিল, এটা নিয়ে হট্টগোল হয়েছে। তবে বিষয়টি বুঝিয়ে বলার পর সমাধান হয়েছে, তাছাড়া বক্তব্য দেওয়ার জায়গা ওটা না। বক্তব্যের জন্য আজকে আলোচনা অনুষ্ঠান করেছি। 

আরআই/টিকে

মন্তব্য করুন