ঘুষ চাওয়ার ঘটনার তদন্ত হবে: চিফ প্রসিকিউটর
ছবি: সংগৃহীত
০৫:১৬ পিএম | ১০ মার্চ, ২০২৬
বিচারাধীন মামলার আসামিকে সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে ঘুষ চাওয়ার ঘটনার অভ্যন্তরীণ তদন্ত হবে। মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) প্রসিকিউশন কার্যালয়ের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘এমন অনৈতিক ঘটনায় বিচার প্রক্রিয়া শতভাগ প্রশ্নবিদ্ধ হয়। এতে ট্রাইব্যুনাল নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, আমাদের ইমেজ সংকট হয়।’
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, দুর্নীতির সঙ্গে কারও সুতা পরিমাণ সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে মামলা থেকে আসামিদের নাম বাদ দিতে একজন প্রসিকিউটরের সঙ্গে আসামি পক্ষের আইনজীবীর ফোনালাপের অডিও ফাঁস হয়। এতে কোটি টাকার বিনিময়ে আসামিদের নাম বাদ দেওয়ার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা শোনা যায়।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এটা একটা একটা সিরিয়াস অভিযোগ। কোন প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ ওঠার কথা ছিল না। অভিযোগ যখন উঠেছে, তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল।
এ অভিযোগকে কেন প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে এনিয়ে প্রশ্ন তুলে আমিনুল ইসলাম বলেন, হতে পারে সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামের কাছে আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ আসেনি। মিডিয়াতে নানা অভিযোগ থাকলেও যতক্ষণ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো অভিযোগ না আসে, ততক্ষণ পর্যন্ত এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আইনগত বাধ্যবাধকতা থাকে না বলেও জানান আমিনুল ইসলাম।
তিনি আরও বলেন, ‘ঘুষের বিষয়ে যদি কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমার কাছে আসে, আইনগতভাবে আমার যতটুকু ক্ষমতা আছে, আমি সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবো। যদি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ নাও আসে, আমি ব্যক্তিগতভাবে চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয় থেকে অভ্যন্তরীণ তদন্ত করব।
এই নির্দিষ্ট ঘটনা ছাড়াও ৫ আগস্টের পর ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠনের পরে সকল বিষয়েরই অভ্যন্তরীণ তদন্ত হবে বলে জানান চিফ প্রসিকিউটর।
প্রসঙ্গত, ফাঁস হওয়া ফোনালাপে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর মো. সাইমুম রেজা তালুকদার ইতিমধ্যে পদত্যাগ করেছেন।
ইউটি/টিএ