ই-হেলথ কার্ড চালুর সম্ভাব্য সময় জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত
০৯:৩১ পিএম | ১১ মার্চ, ২০২৬
স্বাস্থ্যসেবাকে আরো সমন্বিত ও কার্যকর করতে আগামী জুনের মধ্যেই জাতীয় ই-হেলথ কার্ড চালু করার আশা প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
বুধবার (১১ মার্চ) ঢাকার একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত জাতীয় ই-হেলথ আইডি বাস্তবায়নের প্রস্তুতি পর্যালোচনাবিষয়ক দুই দিনব্যাপী উচ্চ পর্যায়ের নীতিনির্ধারণী কর্মশালার সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘সরকারের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত উদ্যোগ হিসেবে এই কার্ড বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’ আইসিটি বিভাগের এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) প্রোগ্রাম, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) যৌথভাবে কর্মশালাটির আয়োজন করে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ই-হেলথ কার্ড চালু হলে দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থা উপকৃত হবে। একজন রোগী গ্রাম বা শহর যেখানেই চিকিৎসা নেন না কেন, চিকিৎসকরা এই কার্ডের মাধ্যমে তার প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যতথ্য দেখতে পারবেন। এতে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা আরো দ্রুত ও কার্যকর হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘ই-হেলথ আইডি স্বাস্থ্য খাতে একটি মৌলিক পরিচয় কাঠামো হিসেবে কাজ করবে। এর মাধ্যমে বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় একজন ব্যক্তিকে নির্ভুলভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হবে এবং হাসপাতাল, ক্লিনিক ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চিকিৎসাসংক্রান্ত তথ্য নিরাপদভাবে বিনিময় করা যাবে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ—ফ্যামিলি কার্ড, ই-হেলথ কার্ড ও কৃষক কার্ডের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড ইতিমধ্যে চালু হয়েছে। বাকি দুই উদ্যোগের কাজও এগিয়ে চলছে। এ বছরের জুনের শেষ নাগাদ ই-হেলথ কার্ড চালু করা সম্ভব হবে’ বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। অনুষ্ঠানের শেষ দিনে হেলথ আইডি, ইলেকট্রনিক মেডিক্যাল রেকর্ড (ইএমআর) ও শেয়ারেবল হেলথ রেকর্ড (এসএইচআর) বাস্তবায়নের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, অবকাঠামোগত প্রস্তুতি এবং প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, ডিজিটাল স্বাস্থ্যব্যবস্থায় আন্তঃকার্যকারিতা নিশ্চিত করা গেলে স্বাস্থ্যসেবা আরো দক্ষ, নির্ভুল ও সহজপ্রাপ্য হবে। এতে রোগীর তথ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত হবে এবং তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণ সহজ হবে।
এসএস/টিএ