নারীদের স্নাতকোত্তর পর্যন্ত শিক্ষা অবৈতনিক করার পরিকল্পনা: জুবাইদা রহমান
ছবি: সংগৃহীত
০৬:০২ পিএম | ১৫ মার্চ, ২০২৬
নারীদের ক্ষমতায়ন ও কন্যাশিশুর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে তাদের জন্য স্নাতকোত্তর পর্যন্ত শিক্ষা অবৈতনিক করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জিয়াউর রহমান ট্রাস্টের সিনিয়র সহ-সভাপতি ডা. জুবাইদা রহমান।রোববার সকালে ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম।
জুবাইদা রহমান বলেন, কন্যা শিশুদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে। সেই লক্ষ্যেই নারীদের স্নাতকোত্তর পর্যন্ত শিক্ষা অবৈতনিক করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি বলেন, শিক্ষা একটি কন্যাশিশুকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে নিয়ে যায় এবং তাকে একজন যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করে। একই সঙ্গে এটি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি আরও বলেন, দেশের প্রতিটি শিশুর নিরাপদ ও সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে, যেখানে নারী ও কন্যাশিশুরা হবে নিরাপদ, সম্মানিত ও ক্ষমতায়িত। অনুষ্ঠানে সম্মাননা পাওয়া ব্যক্তিদের কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করে তিনি বলেন, সমাজের নিপীড়িত ও পিছিয়ে থাকা মানুষের জন্য তাদের অবদান প্রশংসনীয়। কন্যাশিশুদের অধিকার রক্ষায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া কন্যাশিশুরাও নিজেদের অভিজ্ঞতা ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরে।
তারা বলেন, অনেক নারী বিচার পাওয়ার আশায় আদালতে গেলেও যথাযথ সহায়তা পান না। তারা চান, নারীরা যেন ন্যায়বিচার পেয়ে মাথা উঁচু করে আদালত থেকে বের হতে পারেন, এটি নিশ্চিত করতে সরকার ও সমাজকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।তারা আরও বলেন, ‘কন্যাশিশুদের ভবিষ্যৎই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ’ এই স্লোগান বাস্তবায়নে নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। দেশের বিভিন্ন স্থানে কন্যাশিশুদের ওপর সহিংসতা ও হত্যার ঘটনা উদ্বেগজনক বলেও তারা উল্লেখ করেন।এ সময় বক্তারা কন্যাশিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নির্যাতনের ঘটনায় দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
আরআই/টিকে