কিউএস বিষয়ভিত্তিক র্যাঙ্কিং: ঢাবির ১০ বিভাগ বিশ্বসেরার তালিকায়
ছবি: সংগৃহীত
০৮:০৬ পিএম | ২৭ মার্চ, ২০২৬
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শিক্ষার মানদণ্ডে অনন্য এক মাইলফলক স্পর্শ করল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা ও গবেষণা সংস্থা কোয়াককোয়ারেলি সায়মন্ডস (কিউএস) প্রকাশিত ‘ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি সাবজেক্ট র্যাঙ্কিং-২০২৬’-এ স্থান করে নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০টি বিভাগ। বাংলাদেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে এটিই সর্বোচ্চ সংখ্যক বিভাগের স্বীকৃতি। গত বছর ৯টি বিভাগ এই তালিকায় থাকলেও এবার তা বেড়ে ১০-এ দাঁড়িয়েছে।
বুধবার (২৫ মার্চ) কিউএস-এর পক্ষ থেকে প্রকাশিত এই র্যাঙ্কিংয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অভূতপূর্ব সাফল্যের চিত্র ফুটে ওঠে। এবারের র্যাঙ্কিং মূলত দুটি প্রধান ভাগে বিভক্ত ছিল– ‘ব্রড সাবজেক্ট’ (প্রধান বিষয়) এবং ‘ন্যারো সাবজেক্ট’ (নির্দিষ্ট বিষয়)।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘সোশ্যাল সায়েন্স অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট’ ক্যাটাগরিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বজুড়ে ৩৭১তম স্থান অধিকার করেছে, যা দেশের মধ্যে প্রথম। এই ক্যাটাগরির অধীন ‘অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ফিন্যান্স’ বিভাগ ৩০১-৩৭৫-এর মধ্যে, ‘ইকোনমিকস অ্যান্ড ইকোনোমেট্রিকস’ ৩০১-৩৫০-এর মধ্যে এবং ‘বিজনেস অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ’ ৪০১-৪৫০-এর মধ্যে অবস্থান করছে।
ইঞ্জিনিয়ারিং এবং টেকনোলজি ক্যাটাগরিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈশ্বিক অবস্থান ৩৬৪তম। এর আওতায় ‘কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস’ ৫৫১-৬০০, ‘ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং’ ৫০১-৫৫০ এবং ‘মেকানিক্যাল, অ্যারোনেটিক্যাল অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং ইঞ্জিনিয়ারিং’ ৫০১-৫৭৫-এর মধ্যে রয়েছে।
অন্যদিকে, ‘ন্যাচারাল সায়েন্স’ ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ থেকে একমাত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ই স্থান পেয়েছে। বিশ্বতালিকায় এর অবস্থান ৫০১-৫৫০-এর মধ্যে। এর অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলোর মধ্যে রসায়ন ৫৫১-৬০০, পরিবেশ বিজ্ঞান ৪০১-৪৫০ এবং পদার্থবিদ্যা ও জ্যোতির্বিদ্যা ৫০১-৫৫০-এর মধ্যে অবস্থান করছে।
লাইফ সায়েন্স ও মেডিসিনের মূল ক্যাটাগরিতে স্থান না পেলেও এই বিভাগের অধীন থাকা ‘জীববিজ্ঞান’ বিভাগটি ৬৫১-৭০০-এর মধ্যে থেকে বিশ্বসেরাদের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতর থেকে উপপরিচালক ফররুখ মাহমুদের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই অর্জনের তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রতিবছর মার্চ মাসে প্রকাশিত এই র্যাঙ্কিং বিশ্বজুড়ে উচ্চশিক্ষার মান যাচাইয়ে অন্যতম মানদণ্ড হিসেবে বিবেচিত হয়।
এসএস/টিএ