কুমিল্লায় পথে পথে যাত্রীর ভিড়, বাসের জন্য হাহাকার
ছবি: সংগৃহীত
০৯:৫৯ পিএম | ২৭ মার্চ, ২০২৬
শেষ হয়েছে ঈদুল ফিতরের ছুটি। কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছেন মানুষ। কুমিল্লার বাস স্টেশনগুলোতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। শুক্রবার (২৭ মার্চ) কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় এমন চিত্র দেখা গেছে।
এদিকে এ সুযোগে যাত্রীবাহী অনেক পরিবহন যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে সংশ্লিষ্টারা বলছেন একমুখি যাত্রী হওয়ায় কিছুটা ভাড়া বেশি নিচ্ছেন। তবে স্বস্তির খবর হলো এবার ঈদ পরবর্তী সময়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার ১০৫ কিলোমিটার অংশ, কুমিল্লা-সিলেট সড়ক ও নোয়াখালী-কুমিল্লা সড়কসহ অন্য সড়কে এখনো পর্যন্ত যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। তবে যানজট না থাকলেও ঢাকামুখি লেনে পরিবহনের চাপ বেড়েছে।

সরেজমিন কুমিল্লার কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল জাঙ্গালীয়া, শাসনগাছা, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড, আলেখারচার, সেনানিবাস, নিমসার, চান্দিনা, দাউদকান্দি ও চৌদ্দগ্রাম সহ বিভিন্ন এলাকাঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।
এশিয়া ট্রান্সপোর্ট পরিবহনের চালক খায়ের মিয়া বলেন, এবারে ঈদের আগে ও পরে মাহাসড়কে যানজট ছিলনা বললেই চলে। আমার মনে হয় জীবনে এমন স্বস্তির যাত্রা দেখিনি। আজ জুমার পরে সোয়া দুই ঘন্টায় ঢাকা থেকে কুমিল্লায় এসেছি। কুমিল্লা থেকে রাজধানীতে যেতেও দুই-আড়াই ঘন্টা সময় লাগছে।

মাহতাব হোসেন নামে এক যাত্রী বলেন, তিনি রাজধানীর একটি বেসরকারি কোম্পানীতে চাকরি করেন। জাঙ্গালীয়া বাস স্টেশনে টিকেট কেটে প্রায় দুই ঘন্টা কাউন্টারে বসে আছেন। এখনো গাড়ির দেখা মেলেনি। ১৯০ টাকা ভাড়া তাকে দিতে হয়েছে ২৫০ টাকা। এতে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
কুমিল্লা রিজিয়নের হাইওয়ে পুলিশ সুপার শাহীনুর আলম বলেন, ‘মহাসড়কে যাত্রীদের বিড়ম্বনা কমাতে যানজটপ্রবন চিহ্নিত এলাকাগুলিতে বিশেষ নজর রাখা হয়েছে। ঈদে যেহেতু যানজট হয়নি ইনশাআল্লাহ ঈদ পরবর্তীতেও আশা করি কর্মস্থলে ফেরা মানুষের ভোগান্তি থাকবে না। নির্বিঘ্নে মানুষ ফিরতে পারবে।
এসএস/টিএ