© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ভোলায় ৬ হাজার লিটার ডিজেল জব্দ, দেড় লাখ টাকা জরিমানা

শেয়ার করুন:
ভোলায় ৬ হাজার লিটার ডিজেল জব্দ, দেড় লাখ টাকা জরিমানা

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৩:৩৫ এএম | ০১ এপ্রিল, ২০২৬
ভোলার বিসিক শিল্প নগরীর দুটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা প্রায় ৬ হাজার (৫,৯৭৪) লিটার ডিজেল জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ঘটনায় দুই প্রতিষ্ঠানের মালিককে মোট দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টা থেকে শুরু হওয়া এ অভিযান মধ্যরাত পর্যন্ত পরিচালিত হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েদ মাহমুদ বুলবুলের নেতৃত্বে এ অভিযান চালানো হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিসিক শিল্প নগরীর মেসার্স খান ফ্লাওয়ারে অভিযান চালিয়ে ২টি পানির ট্যাংক ও ৮টি ড্রামে রাখা ৫,৯৭৪ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের মালিক জামাল খানকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়, অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

পরে একই এলাকায় তৃষ্ণা বেকারি নামের আরেকটি প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ২ হাজার লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। অবৈধভাবে জ্বালানি মজুতের দায়ে প্রতিষ্ঠানের মালিক মো. জুয়েলকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ৭ দিনের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

জব্দ করা ডিজেল বিক্রি করে অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযান চলাকালে খান ফ্লাওয়ারের কর্মীরা হট্টগোল সৃষ্টি করে এবং বিসিক এলাকার সড়কে বালুর বস্তা ও ইট ফেলে ব্যারিকেড দেয়ার চেষ্টা করে। এ সময় প্রতিষ্ঠানের মালিক জামাল খান ভ্রাম্যমাণ আদালতের সঙ্গে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেন এবং গণমাধ্যমকর্মীদের হুমকি দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েদ মাহমুদ বুলবুল জানান, অবৈধভাবে ডিজেল মজুতের কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি সংশ্লিষ্টরা। তাই তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে জামাল খান দাবি করেন, জেলা প্রশাসনের এক কর্মকর্তার মৌখিক অনুমতিতে তিনি তেল এনেছেন। যদিও তার কাছে তেল ক্রয়-বিক্রয়ের কোনো লাইসেন্স বা লিখিত অনুমোদন পাওয়া যায়নি।

গোয়েন্দা সূত্র জানায়, জামাল খান অবৈধভাবে একটি লড়িতে প্রায় ৯ হাজার লিটার ডিজেল এনে বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করেছেন। তার প্রতিষ্ঠানে দৈনিক জ্বালানির চাহিদা প্রায় ১৫০ লিটার হলেও নিয়ম অনুযায়ী সর্বোচ্চ তিন দিনের জন্য ৪৫০ লিটার পর্যন্ত মজুত রাখার অনুমতি রয়েছে। এর বেশি রাখতে হলে প্রয়োজন হয় যথাযথ কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমোদন।

এমআই/টিএ

মন্তব্য করুন