কিশোরঞ্জে কুকুরের কামড়ে আহত ৫০
ছবি: সংগৃহীত
১০:১৭ পিএম | ০২ এপ্রিল, ২০২৬
কিশোরঞ্জের পাকুন্দিয়ায় পাগলা কুকুরের কামড়ে অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত ৫ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। এ ঘটনায় পাকুন্দিয়ায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
বৃহস্পতিবার (২এপ্রিল) বিকেল থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ এবং উপজেলা প্রশাসন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপস্থিত হয়ে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছেন।
গুরুতর আহতরা হলেন উপজেলার চরপাকুন্দিয়া গ্রামের সাবেক কাউন্সিলর স্বপন মিয়া (৫০), চরটেকী গ্রামের হারুন অর রশীদ (৫৫), মধ্য পাকুন্দিয়া গ্রামের আকিব আলম (১৫), ঘাগড়া গ্রামের আফরা (২০), বীরপাকুন্দিয়া গ্রামের সুমিত (১৮) ও লাবণ্য (১৫), শিমুলিয়া গ্রামের ইমরান (২২), নারান্দী গ্রামের আসমা (৩২), মানছু মিয়া (৪০) ও মোনতাজ উদ্দিন (৭০), মঙ্গলবাড়ীয়া গ্রামের ইকবাল (৪০), লোকমান (৭০) ও তানভীর (২৮)।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চরপাকুন্দিয়া, বীরপাকুন্দিয়া, মধ্যপাকুন্দিয়া, হাপানিয়া, মঙ্গলবাড়ীয়া, সৈয়দগাঁও, শ্রীরামদী, নারান্দী, ঘাগড়া, হোসেন্দী, পাটুয়াভাঙ্গা ও শিমুলিয়া গ্রামে একটি লাল রঙের পাগলা কুকুড় বেপরোয়া আচরণ করে এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে।
সামনে যাকে পেয়েছে তাকেই কামড়িয়েছে। এভাবে বিকেল ৫টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ৫০ জন কুকুরের কামড়ে আহত হয়েছে। পাকুন্দিয়া স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পানা কর্মকর্তা ডা. নূর-এ-আলম খান জানান, বিকেল ৫টার দিকে পাটুয়াভাংগা ইউনিয়ন থেকে একজন চিকিৎসা নিতে আসেন। সন্ধার পর থেকে লাইন ধরে রোগী আসছে।
আমাদের স্টাফ আহতের চিকিৎসা দিতে হিমিসিম খাচ্ছে। রাত ৯টা পর্যন্ত জরুরি বিভাগে ৪০ জন চিকিৎসা নিতে আসেন। তাদের মধ্যে ৫ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুপম দাস বলেন, পাগলা কুকুড়ের বিষয়টি নিয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাস্তায় টহলের ব্যাবস্থা করা হয়েছে।
পাশাপাশি এলাকার মসজিদে মসজিদে মাইকিং করে লোকজনকে সতর্ক করা হচ্ছে।
এসএস/টিকে