© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

এপস্টেইন নথিতে নাম থাকার ব্যাখ্যা দিলেন গিগি হাদিদ

শেয়ার করুন:
এপস্টেইন নথিতে নাম থাকার ব্যাখ্যা দিলেন গিগি হাদিদ

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১০:৪৪ পিএম | ০৫ এপ্রিল, ২০২৬
মার্কিন সুপারমডেল গিগি হাদিদ সম্প্রতি বহুল আলোচিত জেফরি এপস্টেইন সংক্রান্ত নথিতে নিজের নাম উঠে আসা নিয়ে মুখ খুলেছেন। তিনি জানান, বিষয়টি জেনে তিনি ‘অত্যন্ত ঘৃণিত ও অসুস্থ বোধ’ করেছেন।

ইনস্টাগ্রামে এক ভক্তের মন্তব্যের জবাবে (যা পরে মুছে ফেলা হয়) গিগি বলেন, ‘কাউকে কখনো দেখেননি, অথচ সেই ব্যক্তি আপনার সম্পর্কে এমনভাবে কথা বলছে-বিশেষ করে এই প্রেক্ষাপটে-এটা পড়া খুবই ভয়ংকর।’

তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, এপস্টেইনের সঙ্গে তাঁর কখনো কোনো পরিচয় বা যোগাযোগ ছিল না। জোর দিয়ে বলেন, ‘আমি জীবনে কখনো ওই দানবের সঙ্গে দেখা করিনি।’

গিগির ধারণা, এপস্টেইন নিজের প্রভাব খাঁটিয়ে এবং মানুষের ক্যারিয়ার গড়ে দেওয়ার কথা বলে ভুক্তভোগীদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করতেন।



সেই কারণেই বিভিন্ন মানুষের নাম তাঁর নথিতে উঠে এসেছে। তবে তিনি এও জানান, এত দিন এই বিষয়ে কোনো কথা বলেননি, কারণ এতে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের গল্প থেকে মনোযোগ সরে যেতে পারে-এমন আশঙ্কা ছিল তাঁর।

৩০ বছর বয়সী এই মডেল নিজের পারিবারিক পটভূমি নিয়েও কথা বলেছেন। স্বীকার করেছেন, তিনি সুবিধাপ্রাপ্ত পরিবেশে বড় হয়েছেন, তবে তাঁর বাবা-মা তাঁকে কঠোর পরিশ্রমের মূল্য শিখিয়েছেন।

১৮ বছরের আগেই বিভিন্ন মডেলিং এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিলেন গিগি। ২০১২ সালে তিনি একটি বড় সংস্থার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন। এরপর থেকেই নিজের পরিশ্রমের মাধ্যমে ক্যারিয়ার গড়ে তুলেছেন বলে জানান তিনি।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ সম্প্রতি এপস্টেইন-সংক্রান্ত বিপুল পরিমাণ নথি প্রকাশ করে। সেখানে ২০১৫ সালের একটি ইমেইল আদান-প্রদানে গিগি ও তাঁর বোন বেলা হাদিদের নাম উল্লেখ করা হয়। ওই ইমেইলে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি হাদিদ বোনদের সাফল্য নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, যার জবাবে এপস্টেইন কিছু বিতর্কিত মন্তব্য করেন।

তবে গিগি হাদিদ দাবি করেছেন, এপস্টেইনের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক ছিল না এবং এই ধরনের নথিতে নিজের নাম জড়িয়ে যাওয়াকে তিনি অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে মনে করেন।

উল্লেখ্য, ২০০৫ সালের তদন্তের পর এপস্টেইন যৌন ব্যবসায় নাবালিকাদের যুক্ত করার অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন এবং কারাদণ্ড ভোগ করেন। পরে ২০১৯ সালে আবারও নাবালিকা পাচারের অভিযোগে অভিযুক্ত হন। বিচার শুরুর আগেই তিনি কারাগারে আত্মহত্যা করেন। তাঁর সহযোগী গিলেইন ম্যাক্সওয়েল বর্তমানে যৌন পাচারের দায়ে ২০ বছরের সাজা ভোগ করছেন।

এমআর/এসএন 

মন্তব্য করুন