বিবি সাওদার গ্রেপ্তার ইস্যুতে মুখ খুললেন রাশেদ খান
ছবি: সংগৃহীত
০৫:৪১ পিএম | ০৮ এপ্রিল, ২০২৬
ভোলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নারীকর্মী বিবি সাওদা ওরফে সাওদা সুমিকে গ্রেফতারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা ও প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে শুরু করে শিক্ষাবিদ, আইনজীবী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা এ ঘটনাকে ঘিরে ভিন্ন ভিন্ন মতামত প্রকাশ করছেন।
এই ইস্যুতে কথা বলেছেন গণ অধিকার পরিষদ থেকে বিএনপিতে যোগ দেওয়া রাশেদ খান।
মঙ্গলবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া পোস্টে রাশেদ খান জামায়াতের ওই নারী কর্মীর দুটি ফেসবুক পোস্টের ছবি যুক্ত করেছেন। পোস্টে রাশেদ লিখেছেন, জামায়াতের নারী কর্মী ফেসবুকে এসব পোস্ট করছিলেন। বাবার সাথে মেয়ে সিনেমা দেখতে গেছেন। কিন্তু উনিও একজন নারী হয়ে কত বড় নোংরামি প্রচার করেছেন, চিন্তা করেন। উনি কাকে মেয়ে-জামাই কল্পনা করেন? এই পোস্ট জাশি ও এনসিপি দেখেও না দেখার ভান করছে?
তিনি লিখেছেন, এছাড়া নারী হয়ে আরেকজন নারীকে কার সাথে তুলনা করেন! এগুলোর প্রতিকার কী? তিনি সমালোচনা করুন, কিন্তু নর্তকী বানিয়ে প্রচার করবেন? একজন নারীকে তো আরেকজন নারীর মর্যাদা দিতে হবে। এখানে বিএনপি ও জামায়াত উভয়ই গণঅভ্যুত্থানের শক্তি। সুতরাং শামা ওবায়েদ আপাকে নিয়ে মন্তব্য করার ক্ষেত্রে তার সতর্কতা দরকার ছিল। নাকি এগুলো চলতেই থাকবে, সেটা চান?
রাশেদ আরো লিখেছেন, তার টাইমলাইনে এমন অসংখ্য ঘৃণা, মিথ্যাচার ও গুজব রয়েছে। মনে করেন, তাকে গ্রেপ্তার করা যাবে না। কিন্তু বাবা-মেয়েকে জড়িয়ে তিনি যে নোংরামি করেছেন, এটার প্রতিকার কী? জামায়াতে ইসলামী কি এসবের সাংগঠনিক কোনো ব্যবস্থা নেয় বা নেবে? এর আগেও তো আমির হামজা এমপি তার সহকর্মী নারী এমপিদের নিয়ে যা-তা মন্তব্য করলেন, জামায়াত কোনো ব্যবস্থা নিয়েছে? সমালোচনা করেন, কিন্তু এগুলো কী সমালোচনা? অবশ্যই জামায়াতে ইসলামীর কর্মীকে মুক্তি দেওয়া হোক, কিন্তু এসব থেকে সুরাহার পথও বের করা সরকার বা বিরোধী দলের দায়িত্বও বটে।
এবি/টিএ