সপরিবারে বাংলাদেশে এসেছেন শ্রীকান্ত আচার্য
ছবি: সংগৃহীত
১০:১৩ পিএম | ১৫ এপ্রিল, ২০২৬
নগর জীবনের আবেগ, ভালোবাসা আর একাকিত্বের সুরে যিনি গেঁথেছেন অগণিত শ্রোতার হৃদয়, তিনি শ্রীকান্ত আচার্য। নব্বইয়ের দশক থেকে শুরু করে আজও যার গান সমানভাবে অনুরণিত হয় দুই বাংলার প্রতিটি প্রজন্মে। মায়াবী কণ্ঠ আর কথার গভীরতায় তিনি তৈরি করেছেন নিজস্ব এক সংগীতজগৎ, যেখানে প্রতিটি সুর যেন জীবনের গল্প বলে। সেই প্রিয় শিল্পীই এবার পারিবারিক আবহে বাংলাদেশ সফরে এসে শোনালেন তার পথচলার অজানা অধ্যায়, স্মৃতি আর সংগীতের প্রতি তার অমলিন ভালোবাসার কথা- দেশের একটি গণমাধ্যমের সঙ্গে খোলামেলা আড্ডায়।
অনেকদিন পর বাংলাদেশে আসলেন এবং ঢাকেশ্বরী মন্দিরেও ঘুরে এলেন কেমন লাগছে, এমন প্রশ্নের উত্তরে শিল্পী বলেন, আমি যদি বাংলাদেশে আসার কথা বলি, তাহলে ২০০০ সাল থেকে আমি এই দেশে আসছি। ২৬ বছর ধরে আমি ঢাকাতে তো অনেকবার এসেছি, পাশাপাশি বাংলাদেশের অন্যান্য জায়গাতেও ঘুরেছি। তবে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে আমি এই প্রথমবার এসে খুবই ভালো লেগেছে। আর এবার আমার কাছে এই ঘুরে দেখাটা একটু বিশেষ কারণ। একদিকে পহেলা বৈশাখের আনন্দ, অন্যদিকে আমি সপরিবারে এখানটায় ঘুরতে এসেছি। উৎসবের মেজাজের ভিতরে ঐতিহাসিক জায়গাটা ঘুরে দেখে খুব ভালো লাগছে।
বাংলাদেশে আপনি অনেকবার এসেছেন, এই দেশের কোন খাবারটি আপনার কাছে খেতে খুব ভালো লাগে, প্রশ্ন করায় তিনি বলেন, সত্যি বলতে, এই দেশে এসে আমার নানা পদের ভর্তা খেতে খুব ভালো লাগে। বিরিয়ানি বা খাবারের অন্যান্য আইটেম ওপার বাংলাতেও পাওয়া যায়। তবে এই দেশে ভর্তার আইটেমটা আমার কাছে ব্যতিক্রম মনে হয়েছে এবং আমার ভালো লাগে।

প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম দুই বাংলায় অসংখ্য ভক্ত রয়েছে আপনার, তাদের মধ্যে কি কোনো পার্থক্য খুঁজে পান আপনি, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, একেবারেই না । বিগত ২৬ বছরে বাংলাদেশসহ অনেক দেশেই গান গাইতে গিয়েছি এবং এটা আমার বলতে ভালো লাগবে যে, বেশিরভাগ জায়গাতেই শ্রোতাদের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ কিন্তু বাংলাদেশি। বিদেশে যখন গান গাইতে যাই বাংলাদেশি শ্রোতারা তখন যে আবেগটা আমাকে দেখায় সেটা আমার ব্যক্তিগতভাবে ভালো লাগে। আর আমি নিজেও খুব আবেগী একজন মানুষ।
আপনার গাওয়া অসংখ্য গানের ভিতর কোন গানটি আপনার প্রিয়, প্রশ্ন করায় শিল্পী উত্তর দেন, প্রিয় গান একটা বলে তো কিছু হয় না, তবে আজ থেকে ২৬ বছর আগে রেকর্ড করা একটা ‘বৃষ্টি তোমাকে দিলাম’ গানটির জন্য দেশ-বিদেশ থেকে অনেক ভালোবাসা পেয়েছি। তাই গানটির প্রতি যতটা ভালো লাগা বা আবেগ কাজ করে সেটা অন্যসব গানের থেকে কম।
এসকে/টিএ