চিফ হুইপকে নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচার, কারাগারে হাসান নাসিম
ছবি: সংগৃহীত
০৬:৪৫ পিএম | ১৮ এপ্রিল, ২০২৬
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপকে নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচারের অভিযোগে গুলশান থানায় করা মামলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর এ এম হাসান নাসিমের রিমান্ড নামঞ্জুর কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
আজ শনিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াস শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
এদিন আসামি নাসিমকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে ঘটনায় জড়িত অন্য অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের তথ্য ও গ্রেপ্তার, আলামত উদ্ধার, ঘটনার নেপথ্যে কারা কারা ইন্ধন জুগিয়েছে তাদের নাম-ঠিকানাসহ গ্রেপ্তার, মামলার মূল রহস্য উদঘাটনের জন্য সাত দিনের পুলিশ রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উপপরিদর্শক মো. রায়হানুর রহমান।
এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী জহিরুল ইসলাম রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত রিমান্ড নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একই সঙ্গে জামিনের বিষয়ে শুনানির জন্য রবিবার দিন ধার্য করেন। এর আগে শুক্রবার রাত ৮টার দিকে রাজধানীর শেরেবাংলানগর থানাধীন এলাকার ভাড়াটিয়া বাসা থেকে আসামি নাসিমকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলার সূত্রে জানা যায়, গত ১১ এপ্রিল রাত সাড়ে ১১টার দিকে গুলশানে নিজ বাসায় অবস্থানকালে বাদী মো. নজরুল ইসলাম দেখতে পান, বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনিকে ব্ল্যাকমেইল করার উদ্দেশ্যে ‘সাগর থেকে ৩টা তিমি মাছ নিয়ে এসেছি, ২টা হাঙর আসতেছে ইনশাআল্লাহ, সবার দাওয়াত: চিফ হুইপ’ এই ক্যাপশনে ফেসবুকে পোস্ট করে। পরবর্তীতে ওই ফেসবুক আইডি থেকে বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রকাশ ও প্রচার করতে থাকে।
অজ্ঞাতপরিচয় আসামির হোয়াটসঅ্যাপ থেকে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে বিভিন্ন স্ক্রিনশট পাঠিয়ে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে ব্ল্যাকমেইল করতে থাকেন। এ ঘটনায় চিফ হুইপের একনিষ্ঠ কর্মী মো. নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে গুলশান থানায় সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে মামলা করেন।
ইউটি/টিএ